Health Care

সুগার রোগীর এক্সারসাইজ ও ডায়েট

 দৈনিক নিয়মিত হাল্কা বা মাঝারি স্ট্রেনের এক্সারসাইজ ( ভারি এক্সারসাইজ নয় কিন্তু) যে সকল মলিকুলার ও বায়োকেমিক্যাল পরিবর্তন করে তা হল- ১) সর্বাঙ্গের কাজ বেড়ে যায় বলে কোষের শক্তি উৎপাদনের প্রয়োজনীতা বেড়ে যায়। ২) কোষের মধ্যে মাইটোকন্ড্রিয়াল বায়োজেনেসিস বৃদ্ধি পায়। ৩) সুপ্রা রেনাল গ্লান্ড থেকে এড্রিনালিন বেশি ক্ষরিত হয়ে রক্ত, কোষ,প্যাংক্রিয়াস প্রভৃতি সর্বাঙ্গে পৌঁছায়। ৪) এড্রিনালিন হরমোন প্যাংকরিয়াসকে ইনসুলিন সিক্রেশন করতে উত্তেজিত করে তোলে। গ্লুকাগোন কমিয়ে আনে। ৫) কিন্তু ডায়াবেটিসে রোগীর প্যাংক্রিয়াস ১০০% সক্ষম ও সতেজ না থাকায় যথেষ্ট ইনসুলিন তৈরি হয়ে রক্তে আসতে পারেনা। কিন্তু গ্লুকাগোন তুলনায় বেশি তৈরী হতে শুরু করে যখন ব্রেনের হাইপোথ্যালামাস এর ব্লাড গ্লুকোজ রেগুলেটরি সেন্টার কোষের মধ্যে গ্লুকোজের অভাব অনুভব করে। ৬) ফলত: লিভারের মধ্যে জমে থাকা গ্লাইকোজেন ভাঙতে শুরু করে। এক্ষেত্রে , এড্রিনালিন ও গ্লুকাগোন দুজনেই দুইভাবে একই কাজ করে। Beta adrenergic receptor stimulation করে glycogen ভেঙে গ্লুকোজ করে এড্রিনালিন এবং গ্লুকাগন Adenylate cyclase stimulate করে কোষের মধ্যে cAMP বৃদ্ধি করে গ্লাইকোজেন ভেঙে গ্লুকোজ তৈরি করে ( Glycogenolysis) । গ্লুকাগোন শুধুমাত্র লিভারের উপর কাজ করে glycogen ভাঙতে পারে এবং protein ( amino acids, fatty acids থেকে নতুন গ্লুকোজ তৈরি করে Gluconeogenesis)এবং সেটা শুধু মাত্র লিভারেই। কিন্তু ডায়াবেটিস রোগীদের লিভারের গ্লাইকোজেন সন্চয় খুবই কম। তাই এছাড়াও, ৭) এড্রিনালিন ও গ্লুকাগোন এডিপোজ টিস্যুতে জমে থাকা স্টোর ফ্যাট TAG,CE কে নেক্সট টার্গেট করে দেহের শক্তি উৎপাদন কারী কাঁচামাল গ্লুকোজ বা এসিটাইল কো এ তৈরীর জন্য। ৮) এড্রিনালিন ও (ইনসুলিন :গ্লুকাগোন<.৬) এডিপোজ টিস্যুতে বা ভাসকুলার এন্ডোথেলিয়াল লেয়ারে থাকা এনজাইম LPL কে উত্তেজিত করে তোলে। সক্রিয় LPL তখন কোষের চারিপাশের, ম্যাট্রিক্সের, এন্ডোথেলিয়াল লেয়ারের, এডিপোজ কোষের ভিতরের ফ্ল্যাট কে ভেঙে ভেঙে ফ্যাটি এসিড, ফ্রি কোলেস্টেরল, গ্লিসেরল তৈরি করে।একে লাইপোলাইসিস বলে।   ৯) কোষের মধ্যে প্রয়োজন টুকু রেখে বাকি ফ্যাটি এসিড গুলো তুলে নিয়ে দেহের (লিভার, মাসল)সকল কোষে ( ব্রেন ও লোহিত রক্ত কণিকা বাদ দিয়ে) বহন করে নিয়ে যায় HDL. কারণ, HDL এর LCAT( Lecithin: Cholesterol acyl transferase) থাকে। ফলে বেশি বেশি পরিমাণে ইন্টেষ্টিন ও লিভারের কোষের মধ্যে HDL তৈরী হতে থাকে। ১০) এই ফ্যাটি এসিড মাসল টিস্যুতে পৌঁছায় HDL ও Albumin এর সাহায্যে। ওখানে ফ্যাটি এসিড কোষের মধ্যে ঢুকে; সাইটোপ্লাজম থেকে কারনিটিনের সাহায্যে মাইটোকন্ড্রিয়ার মধ্যে ঢুকে। এই ঘটনা ( শুধু মাত্র ৮-১২ কার্বন) ছোট ও মাঝারি ধরণের ফ্যাটি এসিডের জন্য। লম্বা হলে (>১৬কার্বন) আরেকটা অতিরিক্ত জায়গা পারক্সিজমে যেতে হয় আরো ছোট হবার জন্য। ১১) এরপর ফ্যাটি এসিড থেকে এসিটাইল কো এ এবং শক্তি উৎপন্ন হয় ক্রেবস সাইকেলে। এটা ঘটে ব্রেন ও RBC ছাড়া দেহের সব কোষে।   ১২) ফ্রি কোলেস্টেরল কে HDL তুলে নিয়ে গিয়ে লিভারে ফেলে। লিভার এই কোলেস্টেরল ও নিজের মধ্যে ফ্যাটি এসিড থেকে তৈরি করা কোলেস্টেরল ও ফ্যাটি এসিড কে Glycerol এর সাথে esterification করে, অতঃপর VLDL এ প্যাক করে রক্তে পাঠায় । কোলেস্টেরল সিনথেসিস লিভারের মধ্যে বেড়ে যায় বিধায় লিভারের জমে থাকা চর্বি TAG ভেঙে ফ্যাটি এসিড তৈরি হয়। এই ফ্যাটি এসিড থেকে এসিটাইল কো এ এবং সেখান থেকে বহু শক্তি ও স্টেপের পথ খরচ করে কোলেস্টেরল তৈরী করে।   ফলে, এক্সারসাইজ করলে লিভারের মধ্যে বায়োকেমিক্যাল বহু প্রসেস অত্যাধিক বৃদ্ধি পায়।   – গ্লাইকোজেন ভাঙছে – প্রোটিন বা ফ্যাট থেকে নতুন গ্লুকোজ তৈরি করছে ( transamination, deamination). – কোলেস্টেরল সিনথেসিস বাড়ছে – ফ্যাটি এসিড এর বিটা অক্সিডেশন বাড়ছে   ফলে লিভারের অন্যান্য কাজগুলো স্তিমিত হবে। বাইল এসিড তৈরি খুবই কম হবে। তাই এক্সারসাইজ এর আগে ২-৩ ঘন্টা ও পরে ৩০-৬০ মিনিট পেটে কিছু দিলেই বদহজম হবে।   ১৩) এডিপোজ কোষের মধ্যে তৈরি হওয়া fatty acid লিভারের মধ্যে আসার পর VLDL এগুলোকে সব কোষে নিয়ে যায় via IDL, LDL ।   ১৪) এমাইনো এসিড ও ফ্যাটি এসিড, Lactate ছাড়াও, গ্লিসেরল নিওগ্লুকোজেনেসিস করে লিভারের মধ্যে গ্লুকোজ তৈরি করে। যা লোহিত রক্ত কণিকা ও কিছুটা ব্রেনের শক্তি উৎপাদন কারী কাঁচামাল হিসেবে সরবরাহ হয়।   ১৫) অনেকটা এসিটাইল কো এ কিটোন বডি তৈরি করে যা রক্তের natural pH buffer বাইকার্বোনেটকে কমিয়ে দেয়। ফলে রক্তের এসিডিটি বেড়ে গিয়ে এসিডোসিস ঘটে। যা প্রাণ ঘাতক অনেক সময়।   ১৬) কিছু কিটোন বডি ( বিটাহাইড্রক্সি বিউটাইরিক এসিড) রক্তের মাধ্যমে ব্রেনে গিয়ে কিছুটা শক্তি উৎপাদন কারী কাঁচামাল হিসেবে কাজ করে।   ১৭) এই এক্সারসাইজ অবস্থায় রক্তের গ্লুকোজ বেশি থাকলেও লিভারে ও ভূড়ি, পিঠে পেটে জমা চর্বি কমাতে সাহায্য করে। রক্তে HDL বাড়বে,LDL অত না কমলেও LDL:HDL অনেক কমবে। ফলে, এথেরোস্ক্লেরোসিস কমবে। প্রেসার, হার্ট ডিসিস,ফ্যাটি লিভার,ভুড়ি, ওজন কমবে।   ১৮) কোষের চারপাশে ও মেমব্রেনে কোলেস্টেরল,TAG কমবে। ফলে ইনসুলিন সেন্সিটিভিটি বাড়বে। ১৯) যেটুকু ইনসুলিন তৈরি হচ্ছে ওগুলোর অধিকাংশ টাই এবার কোষের উপর কাজ করতে পারবে, যেটা এতদিন স্লো চলছিল। ইনসুলিনের কাজের গতি ও সেন্সিটিভিটি আসবে।   ১৯) রক্তের গ্লুকোজ ফটাফট কোষে ঢুকতে শুরু করবে। কোষ তার মূল স্রোতে ফিরে এসে চনমনে হয়ে উঠবে।   ২০) এড্রিনালিনের ভূমিকা শেষ হলেই দেহ থেকে বেরিয়ে পড়বে লিভার ও প্রস্রাবে মাধ্যমে।   ২১) ফলে ইনসুলিন: গ্লুকাগোন বাড়তে থাকবে ধীরে ধীরে।   ২২) শেষমেশ রক্তের গ্লুকোজ কমতে শুরু করবে। ডাডয়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে আসবে।   এবার যদি রোজা থাকি, তবে সেইম বায়োকেমিক্যাল ঘটনা গুলো ঘটবে। এক্সট্রা যেটা হবে সেটা হল – 💯লিভার এর CYP P450 system সক্রিয় ও বেশি বেশি কাজ শুরু করে, 💯 ফ্যাটি এসিড লোড টু VLDL কমে যায়। VLDL কম তৈরি হয় . । কারণ ফাষ্টিং অবস্থায় লিভারের মধ্যে কোষের RER এ apolipoprotrin B100 সিনথেসিস একদম কমে যায়। অধিকাংশ ফ্যাটি এসিড গুলো কিটোজেনেসিস, গ্লুকোনিওজেনেসিস এ প্রবেশ করে বেঁচে থাকার জন্য। 💯আরো কম পরিমাণে শিরা ধমনীর গায়ে LDL যায়। 💯 আরো বেশি পরিমাণে HDL পেরিফেরাল কোষ থেকে চর্বি লিভারের মধ্যে নিয়ে এসে Fatty acid-acetyl coA- amino acid,KB তৈরি হয়। 💯প্যাংক্রিয়াস ও লিভারের ডাইজেশন কাজে বিরতি পায় এবং অন্যান্য কাজগুলো বেশি গতিতে করতে সক্ষম হয়। তবে ১৮-২৪ ঘন্টার বেশি না খেয়ে থাকলে Acidemia হবে, ব্রেন সেল ডিহাইড্রেট হয়ে ব্রেনে জল কমে যাবে। ভিটামিনের অভাবে (B7) নিওগ্লুকোজেনেসিস বন্ধ হয়ে গেলে হাইপোগ্লাইসিমিয়া হয়ে অজ্ঞান হয়ে গিয়ে শেষমেশ ব্রেন ডেথ হতে পারে।   🤐এবার যদি, Non/Low carb ,fat protein rich diet খায়, তবে Lipolysis, ketogenesis ছাড়াও transamination, deamination, urea formation বাড়বে। ইউরেমিয়া, হাইপার এমোনেমিয়া হতে পারে। এক্ষেত্রেও , ব্রেন ও অন্যান্য কোষ মেটাবলিক জলের অভাবে ডিহাইড্রেশন হবে।   Dietary fats থেকে প্রাপ্ত Fatty acids, amino acids গুলো আগের কাজগুলো খুব ধীরে করে দিবে লিভার প্রচুর bile juice, প্যাংক্রিয়াস lipase তৈরি করবে। প্রচুর NADPH, ATP খরচ করে, এনজাইম খরচ করে neuglucogenesis, Cholesterol synthesis , HMP, Transamination, Deamination etc তৈরি হবে। ফলে, লিভার,ব্রেন, লোহিত রক্ত কণিকা ও অন্যান্য কোষের উপর Metabolic stress তৈরি হবে। দীর্ঘ

সুগার রোগীর এক্সারসাইজ ও ডায়েট Read More »

AS SHIFA TRUST

ব্লাড প্রেসার থেকে কীভাবে বাঁচবেন?

আজ থেকে ৩০-৪০ বছর আগে আমাদের সমাজে প্রেসার বা হাইপারটেনশন অসুখটি অনেক কম ছিল আজকের তুলনায়! আগেকার দিনে আমাদের কতকগুলি ধারণা এমন ছিল— ১) বয়স ৬০ বা তার উর্ধ্বে না হলে প্রেসার হয়না অথবা প্রেসার অসুখটি বয়স্ক লোকের হয়! ২) প্রেসার হলে ব্রেনস্ট্রোক, হার্ট এটাক প্রভৃতি নানাবিধ পরিণতি হয়ে মৃত্যু অবধারিত! ৩)প্রেসার অল্প বয়স বা কম বয়সের অসুখ না! কিন্তূ, বর্তমানকালে আমি বা আমরা যারা ডাক্তার , তারা লক্ষ্য করি —বয়স বিশ হলে ও অনেক এমন ছেলে বা মেয়ে দেখা যায়; যারা প্রচন্ড প্যালপিটেশন, পারশপি রেশন, হেডেক, ডিপ্রেশন, ইণসমনিয়া, লেগক্রামপ্স,ওবেসিটি, ডিসপে পসিয়া, মেন্টাল ফগ, ফ্যাটিগ, লেথার্জি প্রভৃতি নানারকম পিক্যুইলিয়ার সিম্পটমস্ নিয়ে হাসপাতালের এমার্জেন্সি বা ক্লিনিকে আসেন ৷ অনেক ক্ষেত্রেই এদের প্রেসার বেশী পাওয়া যায়৷ এইরকম সমস্যা সামনে যতদি ন এগি য়ে আসবে —ততই বাড়বে ৷ অথচ, এই র োগীদে র কি ডনি বা হার্ট দটুটোই ব্লাড রি প োর্টে ঠিক আছে ( ইসি জি , সি পি কে এমবি , ইউরি য়া, ক্রি য়ে টিনি ন)৷ খে য়াল করুন—প্রে সার র োগটি আগামী প্রজন্মে র জন্য বা বর্তমান প্রজন্মে র জন্য বয়সটা ক োন ফ্যাক্টরই নয়! যে ক োন বয়সে , যে ক োন লি ঙ্গে র ক্ষে ত্রে প্রে সার র োগটি পরি লক্ষি ত হচ্ছে ! এটা খুবই দঃুশ্চি ন্তার বি ষয়! আমরা এর প্রকৃত কারণ যদি এখনই ব্যাপকহারে প্রচার ও প্রসার না করি , তবে আগামী প্রজন্ম বহুলাংশে প্রে সারে র মত গ োপন ঘাতক থে কে রে হাই পাবে না৷ এই উদ্যে শ্য ও মহান আল্লাহর সন্তূষ্টি অর্জনে র মানসে — আজকে র এই সংক্ষি প্ত লি খাটি৷ “প্রে সার” এর আক্ষরি ক অর্থ হল -চাপ বা বল৷ শরীরি পরি ভাষাতে বা মে ডি ক্যাল পরি ভাষাতে — যে বল বা চাপে ধমনী বা শি রাতে রক্ত চলাচল করে —তাকে ব্লাড প্রে সার বলে ৷ হার্টে র বি ভি ন্ন চে ম্বার, বড় থে কে ছ োট ধমনী — এর দি কে যত এগ োবে ন প্রে সার তত কমবে ৷ অর্থাৎ যে ধমনী যত হার্টে র কাছাকাছি তার মধ্যে রক্ত সন্চালনে বে শী বল প্রয় োগ করতে হয়৷ আবার যে শি রা যত দরেূরে (হার্ট থে কে ) তার চাপ বে শী হয়৷ হার্ট(লে ফ্ট ভে ন্ট্রি কল এবং লে ফ্ট এট্রি য়াম)>বড় ধমনী>মি ডি য়াম ধমনী>ছ োট ধমনী>ক্যাপি ল্যারি >চ োট শি রা>মি ডি য়াম শি রা>বড় শি রা>হার্ট( রাইট ভে ন্ট্রি কল এবং রাইট এট্রি য়াম —— মটুামটিু এই রকম বি ন্যাসে চাপে র তারতম্য থাকে ৷ফলে , হার্ট শি রার মধ্য দি য়ে গ োটা দে হ থে কে রক্তকে টে নে হার্টে নি য়ে যায় এবং সে ই রক্তকে ধমনীর মাধ্যমে গ োটা দে হে ছড়ি য়ে দে য়৷ ( পালম োনারী আর্টারি ও ভে ন—এখানে বি বে চ্য হচ্ছে না) ৷ অর্থাৎ হার্টে র মলূ ও মখূ্য কাজ হল— পাম্পি ং করে দে হে র সর্বত্র রক্তকে সন্চালি ত রাখা৷ ঠিক যে ভাবে যে ক োন পাম্পি ং মে শি ন মি টির নি চ থে কে জল তুলে ও উপরে উঠায়৷ আমারা সাধারনতঃ বাহুর মধ্য দি য়ে যে আর্টারি ( কি উবি টাল বা রে ডি য়াল) যায়—তার প্রে সারটাকে স্ট্যান্ডার্ড করে নি য়ে কাজ করি ৷ হার্ট যখন স্বাভাবি কভাবে স্বাচ্ছন্দে কাজ করে তখন এই দইু জায়গাতে সাধারনতঃ ১২০/৮০ mmHg চাপ থাকে ৷ এক্ষনে , যদি এই চাপ বে শী হয় , তবে বঝু তে হবে — হার্টকে স্বাভাবি কে র থে কে বে শী বল প্রয় োগ করে এই রক্ত সন্চালনে র কাজটি করে যে তে হচ্ছে ৷ হার্টকে যত বে শী বল প্রয় োগ করতে হবে —এই সন্চালনে র প্রক্রি য়াটিকে সচল রাখতে , যে ক োন আর্টারি বা ভে নে প্রে সার বাড়বে ৷ কি উবি টাল বা রে ডি য়াল আর্টারীর প্রে সারও বাড়বে ৷ এখন, আপনাকে জানতে হবে — কী এমন হল যে , হার্টকে বে শী বল প্রয় োগ করে গ োটা দে হে রক্ত সন্চালনটা করতে হচ্ছে ? যে রক্ত আগে ১২০/৮০ mmHg তে দি ব্যি সন্চালি ত হচ্ছি ল— সে ই রক্তকে ই সন্চালি ত রাখতে হার্টকে বে শী বল প্রয় োগ করে পাম্পি ং করতে হচ্ছে ? কে ন এমন হল? এর উত্তরে র মধ্যে ই সমস্যার উৎপত্তি , সমাধান, বে চেঁচে থাকার পথ—সবই খুজেঁজে পাবে ন৷ চলনু, তার আগে একটা ছ োট্ট উদাহরণ দি য়ে প্রে সারটাকে আরও সহজভাবে বঝু াই৷ ধরুন, একই সাইজে র, একই উচ্চতা ও ব্যাসে র তি নটি স্বচ্ছ কাঁচে র গ্লাস আপনার সামনে রাখলাম৷ একটা গ্লাসে জল, একটা গ্লাসে দধু ও একটা গ্লাসে ম্যাঙ্গ োজ্যুস একই পরি মাণে (আয়তন) ঢাললাম৷ তি নটি গ্লাসে ই তি নটি একই রকম ‘স্ট্র’ দি লাম৷ এখন , আপনাকে মখু দি য়ে তি নটি গ্লাস থে কে ই তি নরকম লি ক্যু ইড টানতে বললাম৷ এবার বলনু, আপনাকে ক োন লি ক্যু ইডটা টানতে বে শী বল প্রয় োগ করতে হল?? অবশ্যই বলবে ন—ম্যাঙ্গ োজ্যুস৷ কারণ, ম্যাঙ্গ োজ্যুসে র ঘনত্ব এখানে সবচে য়ে বে শী৷ বাঃ , এটা আপনি চমৎকার বঝু লে ন! ঠিক তে মনি ভাবে ই, আমাদে র দে হে র লি ক্যু ইডটা বা রক্তটাকে হার্ট টে নে নি য়ে আসছে ও ছড়ি য়ে দি চ্ছে ৷ তাহলে , এই টানা ও ফে লাটা হার্টে র জন্য বে শী কষ্টকর কখন হবে ? বা কখন বে শী বল প্রয় োগ করে এই টানা-ফে লার কাজটা করতে হবে ? নি শ্চয়, ব্লাড যখন “ঘন” হবে ৷ ব্লাডে র স্বাভাবি ক ডে নসি টি যখন আরও বে শী বাড়বে ৷ তাহলে , এবার চলনু দে খি , ব্লাড ঘনত্ব কীভাব বাড়ে ? ব্লাডকে পরি চ্ছন্ন বা ফি ল্টার করে লি ভার এবং ব্লাড ভলি উমকে ব্যালান্স করে রাখে , ইল োকট্র োলাইট ব্যালান্স ঠিক রাখে ও কি ছুকি ছু(Urea,Creatinine, BUN) অবান্ছি ত ক্ষতি কর মে টাবলি ক ওয়ে স্টগুলি বে র করে -কি ডনি ৷ প্রধান ও মখু্য ব্লাড পি উরি ফায়ার লি ভার যখন — এই ফি ল্ট্রে শনে র কাজটা পরি পূর্ণরুর্ণ পে সম্পাদন করতে অক্ষম হয়, ঠিক তখনি কি ছুকি ছুপরি মাণে অবান্ছি ত ক্ষতি কর বস্তূগুলি হে পাটিক ভে ন দি য়ে ব্লাডে মি শতে শুরু করে ৷ এই প্রক্রি য়া বহুদি নযাবৎ চলতে থাকলে , এক সময় ব্লাডে র ঘনত্ব এতই বে ড়ে যায় যে , প োড়া ম োবে লে

ব্লাড প্রেসার থেকে কীভাবে বাঁচবেন? Read More »

মানবদেহের ৭৮ টা অঙ্গের মধ্যে সবচেয়ে ব্যস্ত

মানবদেহের ৭৮ টা অঙ্গের মধ্যে সবচেয়ে ব্যস্ত, গোটা দেহের বিভিন্ন কোষের প্রয়োজনীয় শক্তি উৎপাদন কারী কাঁচা মালের ( Glucose, Ketones, Vitamins, Minerals) ভেন্ডর ও রি-প্যাকার, প্রসেসর হচ্ছে লিভার। লিভার জানা অজানা অসংখ্য বায়োকেমিক্যাল কার্যক্রমের আস্তানা। মানবদেহের মধ্যে খাদ্য গৃহীত হোক বা না হোক, প্রয়োজনীয় পুষ্টি খাদ্যের মাধ্যমে আসুক বা না আসুক – লিভার তার কাছে থাকা যে কাঁচামাল থাক সেখান থেকেই কোষের প্রয়োজনীয় সবকিছু তৈরি করে আপাতত দেহ ও কোষগুলোর বেঁচে থাকার রসদ সরবরাহ করতে থাকে। একটা সময় পর (৩-১৪ দিন) লিভার সব রকম সরবরাহ বন্ধ করে দেয় যখন দেহের মাংস ও থাকে না। আমাদের সর্বাঙ্গের সজীবতা ও শক্তি উৎপাদন করার জন্য লিভারের কার্যক্ষমতা ১০০% থাকা দরকার। এছাড়াও, লিভার আরও বড় বড় কাজ করে থাকে। কোলেস্টেরল সিনথেসিস,বাইল এসিড সিনথেসিস, খাদ্যের সন্চয়, রক্তের কেমিক্যাল বিশুদ্ধকরণ (যেমনভাবে ফুসফুস অক্সিজেন যুক্ত করে,কার্বোনডাইঅক্সাইড মুক্ত করে রক্তকে বিশুদ্ধকরণ করে) । কোষের বেঁচে থাকার জন্য যেমন হার্টের শক্তিশালী পেস বা রক্তকে ছুড়ে দেয়া বা টেনে আনার ক্ষমতা দরকার ( এই জন্য Heart is PACE maker), তেমনি কোষের সুস্থতা বা শান্তির জন্য লিভারের কার্যক্ষমতা ১০০% বা যথাযথ ভাবে থাকার দরকার। এই জন্যই, LIVER is PEACE-MAKER.

মানবদেহের ৭৮ টা অঙ্গের মধ্যে সবচেয়ে ব্যস্ত Read More »