Uncategorized

আপনার কতটুকু দৈনিক ক্যালোরি প্রয়োজন?

রমাজানের সিয়াম বা নফল সিয়াম করে ওজন কমানোর জন্য প্রথমেই প্রয়োজন নিজের দেহের উপর দৈনিক কতটুকু ফিজিক্যাল চাপ বা কাজ করা হয়। দ্বিতীয়ত: নিজের BMR( Basal Metabolic Rate) বের করা। এই কাজের ধরণকে মোটামুটি ৫ ভাগে ভাগ করা যায়:- ১) সেডেন্টারি বা অলস জীবন:- কোন দৈহিক কাজ তেমন করেনা। শুয়ে বসে দিন কাটাই যারা তারা এই গ্রুপের অন্তর্ভুক্ত। এদের দৈনিক ক্যালোরি খরচ = BMR×1.2 Cal. ২) সামান্য কাজের মুটামুটি অলস জীবন:- মেন্টাল কাজ আছে। সপ্তাহে ১-৩ দিন সামান্য ফিজিক্যাল কাজ বা এক্সারসাইজ করে। যারা অফিস বা টিচিং, ডাক্তার, ইন্জিনিয়ার, প্রফেসর, বিজিনেস নিয়ে কাজ করেন মুটামুটি তারা এই গ্রুপের অন্তর্ভুক্ত। এদের দৈনিক ক্যালোরি খরচ= BMR×1.375 Cal. ৩) বেশ অনেকটা দৈহিক কাজের জীবন:- সপ্তাহে ৩-৫ দিন দৈহিক কাজের বা এক্সারসাইজের কাজ করে থাকে। যারা দৈনিক সপ্তাহে ৩-৫ দিন কারখানা, মাঠ ক্ষেতে ৫-৮ ঘন্টা কাজ করেন তারা এই গ্রুপের অন্তর্ভুক্ত। এদের দৈনিক ক্যালোরি খরচ= BMR×1.55 Cal. ৪) খুব দৈহিক দৈনিক কাজের জীবন:- সপ্তাহে ৬-৭ দিন ই ৫-৮ ঘন্টা দৈহিক কাজ করেন তারা এই গ্রুপের অন্তর্ভুক্ত। এদের দৈনিক ক্যালোরি খরচ =BMR×1.75 Cal. ৫) খুবই বেশি দৈনিক দৈহিক কাজের জীবন:- যারা সপ্তাহে ৬-৭ দিন ই ৮ ঘন্টার বেশি দৈনিক কাজ করে থাকে তারা এই গ্রুপের অন্তর্ভুক্ত। এদের দৈনিক ক্যালোরি খরচ= BMR×1.9 Cal. যে ক্যালোরি খরচ আপনার নিজের জন্য আসবে, আপনার দেহ ও মনের সুস্থতার জন্য ঐটুকু ক্যালোরি মিনিমাম খেতেই হবে (যদি না আপনার ওবেসিটি থাকে) । এর থেকে কম ক্যালোরি খেলে দেহ ক্ষয় হবে। এর থেকে বেশী খেলে দেহ ভারি হবে বা ওজন বাড়বে। এখন আমরা জানি, শুধুমাত্র কার্বোহাইড্রেট ( প্রথমত:), ফ্ল্যাট ( দ্বিতীয়তঃ)ও প্রোটিন (সর্বশেষ ) থেকেই শক্তি করতে পারে আমাদের দেহের কোষ। প্রতি ১ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট ৪ ক্যালোরি প্রতি ১ গ্রাম ফ্যাট ৯ ক্যালোরি প্রতি ১ গ্রাম প্রোটিন ৪ ক্যালোরি শক্তি দান করতে পারে। মুটামুটি সারাদিন মিক্সড খাবার খেলে, খাবারের মধ্যে কার্বোহাইড্রেট: ফ্যাট: প্রোটিন এর আনুপাতিক হার ৫০:৩০:২০ ( মুটামুটি) তাহলে, ১০০ গ্রাম খাবার খেলে ৫০ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট, ৩০ গ্রাম ফ্যাট, ২০ গ্রাম প্রোটিন থাকছে। তাহলে, গৃহীত ক্যালোরি মুটামুটি= ৫০×৪+৩০×৯+২০×৪= ২০০+২৭০+৮০ = ৫৫০ ক্যালোরি। এইভাবে, ২০০ গ্রাম খাবার খেলে ১১০০ ক্যালোরি, ৩০০ গ্রাম খেলে ১৬৫০ ক্যালোরি, ৫০০ গ্রাম খেলে ২৭৫০ ক্যালোরি শক্তি উৎপাদন হয় দেহের মধ্যে। এখন BMR বের করার জন্য Harrison-Benedict Equation ব্যাবহার করা যেতে পারে। Male দের জন্য, BMR= 66+(6.23×weight in pounds)+(12.7×Height in inches)-( 6.8×age in years) Female দের জন্য, BMR= 655+(4.35×weight in pounds)+ ( 4.7×height in inches) – (4.7× age in years) 1 kg= 2.205 pounds 1 centimetre= .394 inches 1 foot= 30.48 centimetres 1 centimetre= .01 meter ধরুন, কোন মহিলার ওজন 54 কেজি, উচ্চতা 5’২”, বয়স‌ ৩২ বছর। 5’2″= 5×30.48cm+2 inches= 152.4 cms+ 2 inches= 152.4×.394 inches+2 inches= 60.0456+2 inches= 62.0456 inches. তাহলে, ঐ মহিলার BMR = 655+ ( 4.35×54×2.205)+(4.7× 62.0456)-(4.7×32) = 655+ 517.9545+291.61432-150 = 1314.56 Cal. ঐ মহিলা যদি অলসতার জীবন হয়, তাহলে তার দৈনিক ক্যালোরি প্রয়োজন= BMR×1.2= 1314.56×1.2= 1577.48Cal = 1600 Cal ( approx) . ধরুন, একজন পুরুষের বয়স ৩৮ বছর, ওজন ৭৬ কেজি, উচ্চতা ৫’৮”. তাহলে, ৭৬ কেজি = ৭৬×২.২০৫ পাউন্ড=১৬৭.৫৮ পাউন্ড। ৫’৮”= ৫×৩০.৪৮ সেমি+৮ সেমি= ১৫২.৪৮+৮ সেমি= ১৬০.৪৮ সেমি= ১৬০.৪৮×.৩৯৪ ইন্চি=৬৩.১৯৭৬ ইন্চি। BMR= 66+(6.23×167.58)+(12.7×63.1976)-(6.8×38) = 66+1044.02+802.60-258.4 =1654.22 Cal. = 1700 cal ( approximately) এখন ঐ পুরুষটি যদি উপরিউক্ত ২ নম্বর গ্রুপের অন্তর্ভুক্ত জীবন যাপন করেন, তাহলে দৈনিক ক্যালোরি খরচ= BMR×1.375 Cal. = 1700×1.375 Cal. = 2337 Cal. এইভাবে ক্যালোরি, 🔗নিজের কাজের ধরণ 🔗 নিজের ওজন 🔗 নিজের উচ্চতা 🔗 নিজের বয়স থেকে দৈনিক খরচের হিসাব বের করে নিন। এবার আপনার BMI = Basal Metabolic Index মাপুন। BMI= weight in kilograms / (height in meters x height in meters) BMI হিসেবে আপনার অবেসিটি বা শরীরের গঠন অনুযায়ী চর্বি বেশি আছে কি না জেনে নিন। – Underweight: BMI less than 18.5 – Normal weight: BMI between 18.5 and 24.9 – Overweight: BMI between 25 and 29.9 – Obese: BMI 30 or higher ঐ মহিলার Weight= 54 kg Height= 5’2″= 5×.3048 meters + 2× .0254 meters= 1.5748 meters. ® ( 1 ft= .3048 meters, 1 inche= .0254 meters) তাহলে BMI= 54/(1.5748)^2 = 54/2.4799 = 21.775 তাহলে, ঐ মহিলার স্বাভাবিক ওজন আছে। উনি যে খাদ্য গ্রহণ করবেন তার সারাদিনের ক্যালোরি উৎপাদন 1600 Cal এর কমে রাখতে হবে। তবেই দেহ পাতলা বা স্থূল হবেনা। বেশি খেলেই ওজন বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। অর্থাৎ মিক্সড খাবার খেলে 250-300 gm এর খাবারই সারাদিন ব্যাপি যথেষ্ট। একই ভাবে, ঐ পুরুষটির BMI WEIGHT -76 Kgs HEIGHT – 5’8″ = 5×.3048 meters+ 8×.0254 meters =1.7272 meters BMI= 76/(1.72)^2 = 76/2.9832 = 25.4759 তাহলে, ঐ পুরুষটির ওজন বাড়ার দিকে চলছে। তাই, Calories expenditure বাড়াতে হবে বা Calories খাবারের মধ্যে কমাতে হবে। যদি ঐ পুরুষটির কাজের ধরণ পরিবর্তন না হয়, তাহলে 2377 Cal এর থেকে খাবার গ্রহণ কমাতে হবে। 2100-2200 Cal এর রাখতে হবে ওজন কমাতে কোনরকম এক্সারসাইজ ছাড়াই। এইভাবে, আমরা নিজেরাই নিজেদের খাদ্যের পরিমাণ ঠিক করে ওজন, শরীর ও স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে পারি। সিয়াম চলাকালীন এই হিসাব ধরে আমাদের সেহেরি ইফতার ও রাতের খাবারের পরিমাণ নির্ধারণ করতে হবে। তা নাহলে সিয়াম সাধনার পরও ওজন কমানোর সম্ভাবনা নেই। একজন মানুষের পেট ভর্তি খেলে খাদ্যের থলি সর্বোচ্চ পরিমাণ ১-১.৫ লিটার। অর্থাৎ প্রায় ১-২ কেজি খাবার গ্রহণ করতে পারে। বিভিন্ন মানুষের বিভিন্ন পরিমাণ। বুকভর্তি করে যদি ২ বার খায়, তাহলেও দিনে প্রায় ২ কেজি খাবার খাবে। সেক্ষেত্রে গৃহীত ক্যালোরি প্রায় ৫৫০×২০ ক্যালোরি = ১১০০০ ক্যালোরি। তাহলে অতিরিক্ত ক্যালোরি চর্বি হিসাবে জমবে। কিন্তু যদি নিজস্ব দেহের Ghrelin ও Leptin হরমোন দুটোর ক্ষুধা ও তৃপ্তির অনুভূতির নিরিখে ১/৩ পেটে ২ বার খায়, তবে গৃহীত খাদ্যের পরিমাণ প্রায় ৫০০ গ্রাম সারাদিন। তাহলে, গৃহীত ক্যালোরি ৫৫০×৫= ২৭৫০ ক্যালোরি যা প্রায় দৈনিক ক্যালোরি খরচের কাছাকাছি। তাই, বেশি খাবার খেয়ে, পেটভরে খেয়ে সেহেরি বা ইফতার নয়, বরং হাদিসের পরামর্শ অনুযায়ী খাবার গ্রহণ করুন। তবেই শরীরের ও স্বাস্থ্যের জন্য সিয়াম কল্যাণ বয়ে আনবে ইনশাআল্লাহ। “মানুষের ভরা পেটের চেয়ে খারাপ পাত্র আর নেই। আদম সন্তানের কোমর সোজা রাখার জন্য কয়েকটি লোকমাই তো যথেষ্ট; সুতরাং সে যদি তাতে তুষ্ট না হতে পারে, তাহলে (পেটকে তিন ভাগে ভাগ করে নেবে) এক-তৃতীয়াংশ খাদ্যের জন্য, এক-তৃতীয়াংশ পানির জন্য এবং অপর এক-তৃতীয়াংশ শ্বাস-প্রশ্বাসের জন্য ঠিক করে নেবে।” (আহমাদ, ইবনু মাজাহ, তিরমিযী ও হাকেম এবং হাদিসটি ‘হাসান’) । এখানে আরেকটি হিসাব যোগ করা যেতে পারে। প্রতি ১ রাকাত নামায ঠিকঠাক ভাবে ৫ মিনিট ধরে পড়লে ক্যালোরি খরচ হয়= ৫ ক্যালোরি ( approximately) তাহলে শুধুমাত্র ১৭ রাকাত ফরজ নামাজের জন্য ক্যালোরি খরচ= ১৭×৫= ৮৫ ক্যালোরি

আপনার কতটুকু দৈনিক ক্যালোরি প্রয়োজন? Read More »

হাজার বছর আগে বাঙ্গালি জাতির মুখের ভাষা ‘বাংলা’কে কেড়ে নিয়েছিলো

সেন রাজাদের হিন্দু পণ্ডিতরা ফতওয়া জারি করেছিলো, “যারা বাংলা ভাষা বলবে ও শুনবে তারা ‘রৌরব’ নামক নরকে যাবে।” ঐ সময় তুর্কি বংশোদ্ভূত ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বখতিয়ার খিলজী নির্যাতিত বাঙালীদের মুক্ত করতে এগিয়ে আসেন এবং ১২০৪ সালে মাত্র ১৮ জন ঘোড়সওয়ারী নিয়ে সেন রাজাকে পরাজিত করে বাংলাকে স্বাধীন করেন। বক্তারা বলেন, ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বখতিয়ার খিলাজীর বাংলা বিজয়ের মাধ্যম দিয়ে সেইদিন শুধু ভূমির বিজয় হয়নি, সাথে মুক্ত হয়েছিলো বাঙ্গালীদের মুখের ভাষা ‘বাংলা’।   ভাষাবিদ দীনেশ চন্দ্র সেন বলেন, “মুসলমান সম্রাটগণ বর্তমান বঙ্গ-সাহিত্যের জন্মদাতা বললে অত্যুক্তি হয় না। বঙ্গ-সাহিত্য মুসলমানদেরই সৃষ্ট, বঙ্গ-ভাষা বাঙালি মুসলমানের মাতৃভাষা।” অধ্যাপক ও গবেষক মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান বলেন, “যদি বাংলায় মুসলিম বিজয় ত্বরান্বিত না হতো এবং এদেশে আরো কয়েক শতকের জন্য পূ্র্বের শাসন অব্যাহত থাকতো, তবে বাংলা ভাষা বিলুপ্ত হয়ে যেত এবং অবহেলিত ও বিস্মৃত-প্রায় হয়ে অতীতের গর্ভে নিমজ্জিত হতো।” মধ্যযুগে মুসলিম শাসকদের রাজকীয় পৃষ্ঠপোষকতায় বাংলা ভাষার যে সাহিত্য চর্চা শুরু হয়, তার মাধ্যমে বাংলা ভাষা একটি পরিপূর্ণ ভাষা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করার যোগ্যতা অর্জন করে।   বাংলা ভাষাকে কলুষিত করার চেষ্টা পরবর্তীতে যুগে যুগে আরো হয়। ১৮শ’ সনে ব্রিটিশরা কলকাতায় ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠা করে বাংলা ভাষার আরবী ও ফারসী শব্দ বাদ দিয়ে সংস্কৃত শব্দ প্রবেশের উদ্দেশ্যে সাহিত্য চর্চা শুরু করে। তারা দেখাতে চায়, “বাংলা ভাষার সাথে মুসলমানদের কোন সম্পর্ক নেই”।   মুসলিমদের হেয় প্রতিপন্ন করতে প্রচার করা হয়, বাংলা ভাষায় প্রথম কুরআন শরীফ অনুবাদ নাকি গিরিশ চন্দ্র সেন করেছে। অথচ ১৮৮৬ সালে গিরিশ চন্দ্র সেনের অনুবাদের বহু পূর্বে ১৮০৮ সালে বাংলা ভাষায় কুরআন শরীফের আংশিক অনুবাদ করেন মাওলানা আমীরুদ্দীন বসুনিয়া। এরপর ১৮৩৬ সনে মৌলভী নাঈমুদ্দীন পূর্ণাঙ্গ কুরআন মাজীদের বাংলা অনুবাদ সম্পন্ন করেন। অথচ এ ইতিহাস প্রচার করা হয় না।   সুত্র: খন্দকার কামরুল হুদা, স্বাধীনতা সংগ্রাম ও শেখ মুজিব, ১৯৯৫ পৃ. ৩২, বাংলাপিডিয়া

হাজার বছর আগে বাঙ্গালি জাতির মুখের ভাষা ‘বাংলা’কে কেড়ে নিয়েছিলো Read More »

আল্লাহ্ এবং মুহাম্মদ (صلى الله عليه وسلم) আমার স্বপ্নে

আবূ হুরায়রা (রাাঃ) মেপ্নক বর্ণিত। র্তর্ন বপ্নেন, আর্ রসূে সাল্লাল্লাহু আোইর্হ ওয়াসাল্লা প্নক বেপ্নত শুপ্ননর্ি, ( ুবাশর্শরাত) সু-সংবাদবাহী র্বষয়ার্দ িাড়া নবুয়প্নতর আর র্কিু অবর্শ􀅞 মনই। সাহাবাগণ র্িজ্ঞাসা করপ্নেন, সুসংবাদবাহী র্বষয়ার্দ র্ক? র্তর্ন বেপ্নেন, ভাে স্বে। (সহীহ বুখারী ই.ফা. ৬৫১৯)   আবূ হুরায়রা রার্দয়াল্লাহু আনহু মেপ্নক বর্ণিত, র্তর্ন বপ্নেন, রসূেুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আোইর্হ ওয়াসাল্লা বপ্নেপ্নিনাঃ যখন র্কয়া প্নতর স য় সর্িকপ্নে হপ্নব তখন ু’র্ প্ননর স্বে খুব ক র্ েযা হপ্নব, ময বযর্ি অর্িক সতযবাদী তার স্বেও অর্িক সতয হপ্নব। ুসর্েপ্ন র স্বে হে নবুওয়াপ্নতর মিচর্ল্লশ ভাপ্নগর এক ভাগ। (সুনান আত র্তরর্ িী ই.ফা. ২২৭৩)   আবূ সাঈদ খুদরী (রাাঃ) মেপ্নক বর্ণিত। র্তর্ন নবী সাল্লাল্লাহু আোইর্হ ওয়াসাল্লা মক বেপ্নত শুপ্ননপ্নিন, ময আ াপ্নক স্বপ্নে মদপ্নখ মস সতযই মদপ্নখ। কারণ শয়তান আ ার আকৃর্ত িারণ করপ্নত পাপ্নর না। (সহীহ বুখারী ই.ফা. ৬৫২৬)   িাওবান (রাাঃ) মেপ্নক বর্ণিত। র্তর্ন বপ্নেন, রসূেুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আোইর্হ ওয়াসাল্লা বপ্নেপ্নিনাঃ আ ার উম্মপ্নতর দুর্ে দে আল্লাহ্ তা’আো তাপ্নদরপ্নক িাহািা হপ্নত পর্বত্রাণ দান করপ্নবন, একদে যারা র্হন্দুস্থাপ্ননর র্িহাদ করপ্নব, আর একদে যারা ঈসা ইবন ার্রয়া (আাঃ) এর সপ্নে োকপ্নব। (সুনান আন নাসায়ী ই.ফা. ৩১৭৮)   িাওবান (রাাঃ) মেপ্নক বর্ণিত। র্তর্ন বপ্নেন, রসূেুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আোইর্হ ওয়াসাল্লা বপ্নেপ্নিনাঃ মতা াপ্নদর একর্ে খর্নি সম্পপ্নদর র্নকে পরপর র্তনিন খেীফার পুত্র র্নহত হপ্নব। তাপ্নদর মকউ মসই খর্নি সম্পদ দখে করপ্নত পারপ্নব না। অতাঃপর প্রাচযপ্নদশ (পূবি) মেপ্নক কাপ্নো পতাকা উড্ডীন করা হপ্নব। তারা মতা াপ্নদরপ্নক এত বযাপকভাপ্নব হতযা করপ্নব ময, ইপ্নতাপূপ্নবি মকান িার্ত তদ্রুপ কপ্নরর্ন। অতাঃপর র্তর্ন রসূেুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আোইর্হ ওয়াসাল্লা আরও র্কিু বপ্নেপ্নিনাঃ যা আ ার প্নন নাই। র্তর্ন আপ্নরা বপ্নেনাঃ তাপ্নক আত্মপ্রকাশ করপ্নত মদখপ্নে মতা রা বরপ্নফর উপর হা াগুর্ড় র্দপ্নয় হপ্নেও তার সাপ্নে মযাগদান কপ্নরা। কারণ মস আল্লাহর খেীফা াহদী। (সুনান ইবনু ািাহ ৪০৮৪)    

আল্লাহ্ এবং মুহাম্মদ (صلى الله عليه وسلم) আমার স্বপ্নে Read More »

ডায়াবেটিস কোন একক কারণে পর্বতে পরিণত হয় না

ডায়াবেটিস কোন একক কারণে পর্বতে পরিণত হয় না। অনেকগুলো শিলা ও আঁকাবাঁকা রাস্তার চড়াই উৎরাই নিয়ে তৈরি হয়। প্রথমত: অনবরত স্ট্রেস যা ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক, রাষ্ট্রীয় লেভেলের বিভিন্ন অস্থিরতা থেকে আসে। প্রচন্ড গতিশীল সভ্যতার পায়ে পা মিলিয়ে চলতে গিয়ে অসুস্থ প্রতিযোগিতা, হিংসা, অহংকার, কূমন্ত্রনা,ক্ষোভ, হতাশা, কৃপনতা প্রভৃতি থেকে মনের উপর ভর করে বসে ” স্ট্রেস” । দ্বিতীয়ত: অতিরিক্ত ফসলের লোভে GMO বীজ ও তা থেকে উদ্গত গাছের বাঁচার লড়াই এ অত্যাবশ্যকীয় Pesticides, Fungicides, Herbicides, inorganic fertilizers এর বহুল ব্যবহার। যেগুলো Quantity দিয়ে Quality কেড়ে নিয়েছে। লিভার ঐসব জেনোবায়োটিক মেটাবলিজমের কাজ করতে গিয়ে ক্লান্ত হয়ে নিজের কার্যক্ষমতা হারিয়েছে। গ্লাইকোজেন ষ্টোরেজ করার সক্ষমতা হ্রাস পেয়েছে। তৃতীয়ত: ক্রনিক স্ট্রেস থেকে অনবরত প্রবাহিত এড্রিনালিন সকল অঙ্গের থেকে নিরিহ ও সিক্রেটরি ক্লোনড বিটা কোষগুলোকে পুড়িয়ে দিয়েছে। ছোট্ট ছোট্ট ক্ষত দীর্ঘদিন পর বৃহত্তর ক্ষত করে ইনসুলিনের পরিমাণ মত সিক্রেশনের ক্ষমতা হারিয়েছে। চতুর্থত: এপিনেফ্রিন বেশি, ইনসুলিন কম, গ্লুকাগন বেশি এমন অবস্থায় কোষের মধ্যে সন্চিত ফ্যাট ( TAG, CE) ভেঙে ভেঙে ( Lypolysis) ফ্যাটি এসিড তৈরি করেছে। এদিকে লিভার VLDL তৈরী করার প্রবণতা কমিয়েছে। HDL এর তৈরি আরো কমে গিয়ে ভেঙে যাওয়া ফ্যাটি এসিড কে বা কোলেস্টেরল কে কোষের জায়গা থেকে সরিয়ে আনতে ও লিভারে পৌঁছে দিতে পারার ক্ষমতা হারিয়েছে। কোষের চারপাশে, ধমনী ক্যাপিলারির গায়ে কোলেস্টেরল,ফ্যাটি এসিড জমতে শুরু করেছে। ইনসুলিন হাইড্রোফিলিক, লিপোফোবিক প্রোটিন বিধায় কোষের মেমব্রেনে সিগন্যাল পাঠাতে ব্যার্থ্য হয়েছে। ফলত: কোষে গ্লুকোজ প্রবেশের দরজা (GLUT4) যথাযথ পরিমাণ ও সংখায় খুলতে পারেনি। কোষ গ্লুকোজের সাগরে থাকলেও নিজে অভুক্ত থেকে অশান্ত হয়ে পড়েছে। রক্ত গ্লুকোজ ইমব্যালান্স তৈরি হয়েছে। রক্তের ওসমোলালিটি বেড়ে গিয়ে বিভিন্ন অর্গানে রক্তের পারফিউশন কমেছে। বিভিন্ন অঙ্গের জন্য হানিকর হয়ে উঠেছে। এইসব ক্রমকান্ডের ধারা যখন লাগু হয়ে যায়, তখন ডায়াবেটিস নামক প্যানিক রোগটি দেহের ভিতর থেকে বাহির লন্ডভন্ড করে দিয়েছে। প্রত্যেক অপ্রত্যাশিত অঘটনগুলোর যথাযথ হলিষ্টিক এপ্রোচে ব্যবস্থাপণা নিয়ে, আত্মবিশ্বাস ও পরম যত্ন নিয়ে এই ডায়াবেটিসের পর্বতকে আমরা জয়া করতে পারি। ডায়াবেটিস কম বা বেশি হওয়ার সাথে গ্লাইসেমিক ইনডেক্স নামক ব্যাপারটার খুব একটা সম্পর্ক নেই। কোন খাবার নির্দিষ্ট পরিমাণ খাওয়ার নির্দিষ্ট সময়ের পরে রক্তে কতটুকু গ্লুকোজ বাড়ছে – সেটাই গ্লাইসেমিক ইনডেক্স। সোজা কথা যে খাদ্যে যত বেশি গ্লুকোজ থাকবে বা মনোস্যাকারাইড থাকবে এবং সহজে পেটের মধ্যে বিপাকজাত হবে,তার গ্লাইসেমিক ইনডেক্স বেশি হবে। কিন্তু, একটা সময় গিয়ে সব খাবারই পাচিত হয়ে রক্তে গ্লুকোজ বাড়াবে। কারো সময় কম লাগে, কারো বেশি। কিন্তু, রক্তের গ্লুকোজ ইমব্যালান্স হওয়ার শুধুমাত্র ইনসুলিন কারণ নয়; ক্রনিক স্ট্রেস থেকে এড্রিনালিন, গ্লাইকোজেন ষ্টোরেজ থেকে লিভার, চর্বি থেকে ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্সি, শরীরের প্রয়োজনের বাইরে খাদ্যথলির ১/৩ ভাগের বেশি উদরপূর্তি ভক্ষণের নিয়মিত অসচেতন অভ্যাস। ঐ ৪ টে বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে খাদ্য নির্বাচন ও কাজকর্ম দৈনিক জীবনের পরতে পরতে অনুশীলন করতে পারলে, ইনশাআল্লাহ রক্তের গ্লুকোজ ইমব্যালান্স তার আগের ব্যালান্স অবস্থা ফিরে পাবে। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে আনতে- রক্তের চর্বি কমানো, স্ট্রেস কমানো, লিভারের জেনোবায়োটিক মেটাবলিজমের CytP450 system কে সক্রিয় করা ভীষণ জরুরী। এই কাজ গুলো করতে সহায়ক হিসাবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে -” এক্সারসাইজ” ।

ডায়াবেটিস কোন একক কারণে পর্বতে পরিণত হয় না Read More »

What is the Insulin Resistance

Insulin: Glucagon is normal (.6)or high but cholesterol concentration through out the cell- membrane and within matrix becoming high, then Insulin can’t not work to activate adenylate cyclase of G-protein complex which is present at outer layer of cell membranes . Adenylate cyclase produces cAMP from ATP and cAMP activate protein to recruit GLUT onto cell- membrane. This GLUT allows Glucose to enter the CELL. In conclusion, one word for insulin resistance is ” More the blood fat, more the insulin resistance.”

What is the Insulin Resistance Read More »

ডায়াবেটিসের আসল কারণ জেনে নিন।

#ডায়াবেটিসের আসল কারণ জেনে ব্যবস্থা নিলেই ইনশাআল্লাহ রিকভারি করতে পারেন। ডায়াবেটিস কোন একক কারণে পর্বতে পরিণত হয় না। অনেকগুলো শিলা ও আঁকাবাঁকা রাস্তার চড়াই উৎরাই নিয়ে তৈরি হয়। #প্রথমত: অনবরত স্ট্রেস যা ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক, রাষ্ট্রীয় লেভেলের বিভিন্ন অস্থিরতা থেকে আসে। প্রচন্ড গতিশীল সভ্যতার পায়ে পা মিলিয়ে চলতে গিয়ে অসুস্থ প্রতিযোগিতা, হিংসা, অহংকার, কূমন্ত্রনা,ক্ষোভ, হতাশা, কৃপনতা প্রভৃতি থেকে মনের উপর ভর করে বসে ” স্ট্রেস” । #দ্বিতীয়ত: অতিরিক্ত ফসলের লোভে GMO বীজ ও তা থেকে উদ্গত গাছের বাঁচার লড়াই এ অত্যাবশ্যকীয় Pesticides, Fungicides, Herbicides, inorganic fertilizers এর বহুল ব্যবহার। যেগুলো Quantity দিয়ে Quality কেড়ে নিয়েছে। লিভার ঐসব জেনোবায়োটিক মেটাবলিজমের কাজ করতে গিয়ে ক্লান্ত হয়ে নিজের কার্যক্ষমতা হারিয়েছে। গ্লাইকোজেন ষ্টোরেজ করার সক্ষমতা হ্রাস পেয়েছে। #তৃতীয়ত: ক্রনিক স্ট্রেস থেকে অনবরত প্রবাহিত এড্রিনালিন সকল অঙ্গের থেকে নিরিহ ও সিক্রেটরি ক্লোনড বিটা কোষগুলোকে পুড়িয়ে দিয়েছে। ছোট্ট ছোট্ট ক্ষত দীর্ঘদিন পর বৃহত্তর ক্ষত করে ইনসুলিনের পরিমাণ মত সিক্রেশনের ক্ষমতা হারিয়েছে। #চতুর্থত: এপিনেফ্রিন বেশি, ইনসুলিন কম, গ্লুকাগন বেশি এমন অবস্থায় কোষের মধ্যে সন্চিত ফ্যাট ( TAG, CE) ভেঙে ভেঙে ( Lypolysis) ফ্যাটি এসিড তৈরি করেছে। এদিকে লিভার VLDL তৈরী করার প্রবণতা কমিয়েছে। HDL এর তৈরি আরো কমে গিয়ে ভেঙে যাওয়া ফ্যাটি এসিড কে বা কোলেস্টেরল কে কোষের জায়গা থেকে সরিয়ে আনতে ও লিভারে পৌঁছে দিতে পারার ক্ষমতা হারিয়েছে। কোষের চারপাশে, ধমনী ক্যাপিলারির গায়ে কোলেস্টেরল,ফ্যাটি এসিড জমতে শুরু করেছে। ইনসুলিন হাইড্রোফিলিক, লিপোফোবিক প্রোটিন বিধায় কোষের মেমব্রেনে সিগন্যাল পাঠাতে ব্যার্থ্য হয়েছে। ফলত: কোষে গ্লুকোজ প্রবেশের দরজা (GLUT4) যথাযথ পরিমাণ ও সংখায় খুলতে পারেনি। কোষ গ্লুকোজের সাগরে থাকলেও নিজে অভুক্ত থেকে অশান্ত হয়ে পড়েছে। রক্ত গ্লুকোজ ইমব্যালান্স তৈরি হয়েছে। রক্তের ওসমোলালিটি বেড়ে গিয়ে বিভিন্ন অর্গানে রক্তের পারফিউশন কমেছে। বিভিন্ন অঙ্গের জন্য হানিকর হয়ে উঠেছে। এইসব ক্রমকান্ডের ধারা যখন লাগু হয়ে যায়, তখন ডায়াবেটিস নামক প্যানিক রোগটি দেহের ভিতর থেকে বাহির লন্ডভন্ড করে দিয়েছে। প্রত্যেক অপ্রত্যাশিত অঘটনগুলোর যথাযথ হলিষ্টিক এপ্রোচে ব্যবস্থাপণা নিয়ে, আত্মবিশ্বাস ও পরম যত্ন নিয়ে এই ডায়াবেটিসের পর্বতকে আমরা জয়া করতে পারি।

ডায়াবেটিসের আসল কারণ জেনে নিন। Read More »

প্রাকৃতিক ঔষধ সমুহ যেগুলো সকল প্রাণীকুলকে সুস্থ রাখে, সেগুলো হলো

প্রাকৃতিক ঔষধ সমুহ যেগুলো সকল প্রাণীকুলকে সুস্থ রাখে, সেগুলো হলো – ১) খাদ্য ২) পাণীয় (জল) ৩) সূর্যালোক ( ফোটন) ৪) বাতাস ( অক্সিজেন, নাইট্রোজেন, কার্বনডাই অক্সাইড, হাইড্রোজেন) ৫) ঘুম । পরিমিত আহার,বিষমুক্ত শস্য-শব্জী-ফল; বিশুদ্ধ আইরন, আর্সেনিক,মারকারি মুক্ত জল; পর্যাপ্ত সূর্যালোকের এক্সপোজার, পেট্রোলিয়াম কমবাশন্ বাইপ্রোডাক্ট ( CO, NO, N2O, CH4, Inorganic chemicals) মুক্ত বিশুদ্ধ বাতাস; এবং দৈনিক ৫-৮ ঘন্টার গুড কোয়ালিটি ঘুম – একজন প্রাণী বা মানুষের সুস্থ থাকার একমাত্র আল্লাহর দেওয়া অফুরন্ত মেডিসিন! সবগুলোর দাতা একমাত্র আল্লাহ যিনি সকলের প্রভূ ও সৃষ্টিকর্তা। এই ঔষধগুলো কিনতে হয়না ঠিকই, কিন্তু যত্ন নিয়ে অপরিবর্তিত রাখা ও বিশুদ্ধ রাখা সব প্রাণীর দায়িত্ব। অদ্ভুতভাবে একমাত্র মানুষই এই প্রকৃতিক ঔষধগুলোর গুণগত মান নষ্ট করেছে,করছে। সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব মানুষের শানে এই বিধ্বংসী কর্মকাণ্ড ও মতবাদ একেবারেই বেমানান। তাই, আমরা দায়িত্বশীল ও শ্রেষ্ঠ জীব হিসেবে আগামী জীবনের সুস্থতার লক্ষ্যে ঐ ৫ টি মেডিসিনের বিশুদ্ধতার শপথ নিয়ে আগামীদিনের নানা কর্মসূচি গ্রহণ করি।

প্রাকৃতিক ঔষধ সমুহ যেগুলো সকল প্রাণীকুলকে সুস্থ রাখে, সেগুলো হলো Read More »

আমাদের প্রায় সকলেই এক বা একাধিক এমন সব অসুখে আক্রান্ত যা দীর্ঘ দিন ধরে বিরাজমান!

আমাদের প্রায় সকলেই এক বা একাধিক এমন সব অসুখে আক্রান্ত যা দীর্ঘ দিন ধরে বিরাজমান! প্রচলিত বিদ্যমান বেসিক মেডিকেল দার্শনিক চিন্তার ভাবধারাতে যেগুলোর পরিপূর্ণ নিরাময়-চিকিৎসা নেই। যা আছে তা সাময়িক ব্যবস্থাপণা। তাই, হলিষ্টিক এপ্রোচে ক্রনিক রোগগুলোর চিকিৎসা বর্তমানে খুবই দরকারি ও কার্যকরী। যদি আপনি এই জাতীয় অসুখে আক্রান্ত থাকেন, মিনিমাম ঔষধ ও প্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্যের যথার্থ ব্যবহারের মাধ্যমে soul, heart and sprite এর ঠিকঠাক Healing করে সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে উঠতে সচেতন হন।

আমাদের প্রায় সকলেই এক বা একাধিক এমন সব অসুখে আক্রান্ত যা দীর্ঘ দিন ধরে বিরাজমান! Read More »

ব্যাথায় বহুল ব্যাবহৃত বহুত উপকারী কালোন্জি তেল

Inflammation মানেই অবধারিত ব্যাথা থাকবেই। মাথা ব্যাথা, কপাল ব্যাথা, নাকে ব্যাথা, চোয়ালে ব্যাথা, গলা ব্যাথা, বুকে ব্যাথা, পিঠে ব্যাথা,ঘাড়ে ব্যাথা, কোমর ব্যাথা, পাছায় ব্যাথা,জাঙে ব্যাথা, হাঁটু ব্যাথা,পায়ে ব্যাথা,গোড়ালি ব্যাথা, পায়ের পাতায় ব্যাথা, হাতে ব্যাথা, বিভিন্ন জয়েন্টে ব্যাথা, নার্ভ বা শিরার ব্যাথা ইত্যাদি। এতগুলো ব্যাথায় ইনফ্লামেশন হচ্ছেই! এই ইনফ্লামেশন আপনা আপনি হচ্ছে না। নিশ্চয়ই কোন বস্তু, (যেটা আমার দেহের/ইমিউনিটির কাছে অপরিচিত,) আক্রমন করছে। সেটা ভাইরাস বা তার বাইপ্রোডাক্ট, কোন জীবাণু, কোন ক্ষতিকর বিষ বা কোন আঘাত হতে পারে। ঐ ব্যাথা সৃষ্টিকারী এজেন্ট কে তাড়াতে যা দরকার হলিষ্টিক উপায়ে তা করতেই হবে। তাহলেই সম্পূর্ণ নিরাময় ও ব্যাথা থেকে মুক্তি মিলবে। কিন্তু, সাময়িকভাবে ব্যাথা নিরসনে এমন কিছু করা দরকার যাতে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া মুক্ত ভাবে ব্যাথা থেকে নিস্কৃতি পাওয়া যায়। এরজন্য, ইনফ্লামেশন প্রসেস এর বিভিন্ন বায়োকেমিক্যাল স্তরে এনজাইমকে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে এমন বহু সিন্থেটিক ড্রাগ আবিষ্কার হয়েছে। যেমন – স্টেরয়েড জাতীয় সব রকম ওষুধ ( Prednisolone, deflazacort, Triamcinolone, kanacort, dexamethasone etc) NSAIDs- Diclofenac, Aceclofenac, Nimesulide, paracetamol, Ketorolac, Etorocoxibe, etc) কিন্তু, মহা সমস্যা হচ্ছে – এই ব্যাথা নিরসনকারী ঔষধগুলো ব্যাথা কমালেও প্রচুর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। কারণ, দেহের স্বাভাবিক ইমিউনিটি নষ্ট করে দেয়। পেটের নাড়িতে ঘা করে দেয়, কিডনি বা লিভারকে চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে। তাই, ব্যাথা নিরসনে দরকার এমন এক বিকল্প যার কোন সাইড-এফেক্ট নেই। উপরন্তু, ব্যাথা থেকে অনেক উপশম মিলবে। এবং শুধু টপিক্যাল এপ্লিকেশন করলেই আরাম পাওয়া যাবে। এই সব দিক বিবেচনা করে, সবচেয়ে দরকারি উপকারী কার্যকরী হচ্ছে – #কালোন্জী_তেল কারণ, বিভিন্ন গবেষণায় প্রমাণিত সত্য যে, কালোন্জি তেল ব্যাথা নিরসনে খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। নিচের লিংকে গিয়ে 4 no point study করুন। {বাত ব্যাথা : যেখানেই মাংশপেশী,জয়েন্ট,নার্ভের প্রদাহ বা ব্যাথা সেখানেই লোকাল এপ্লিকেশন করলে ব্যাথা উল্লেখযোগ্যভাবে উপশম হয়৷ সঙ্গে ইন্টারনাল ইনজুরি রেপায়েরের জন্য দরকার অন্য সাপ্লেমেন্ট৷ https://www.ncbi.nlm.nih.gov/pmc/articles/PMC6535880/} এই জন্যই হাদীস এ বর্ণিত হয়েছে – ” ইয়াহইয়া ইবনু বুকায়র (রহঃ) … আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছেনঃ #কালো_জিরা_সাম_ব্যতীত_সকল_রোগের_ঔষধ। ইবনু শিহাব বলেছেনঃ আর ‘সাম’ অর্থ হল মৃত্যু। আর কালো জিরা ‘শূনীয’ কে বলা হয়। সহীহ বুখারী,হাদিস নং -৫২৮৬) এখন কথা হল- ১) বিশুদ্ধ কালোন্জি তেল কোথায় পাব? ২) ল্যাব রিপোর্ট করা ( COA) কালোন্জি কারা তৈরি করে বা সেল করে? এই দুটো প্রশ্নেরই একমাত্র উত্তর হল- #AS_SHIFA ব্যাবহার বিধি, অন্যান্য কোন রোগে উপকারী, উপাদান বিশ্লেষণ সহ নিজস্ব ম্যানুফাচারিং অত্যান্ত উচ্চ মানের বিশুদ্ধ কালোন্জি তেল পশ্চিমবঙ্গে একমাত্র #AS_SHIFA তাই, যারা বিভিন্ন বাত ও ব্যাথায় জরাজীর্ণ ও ভারাক্রান্ত তারা অবশ্যই ( highly recommended) এই #AS_SHIFA কালোন্জি তেল পেতে এখনই কল করুন – ( also for bulk order / business purpose) 9749629462 9749902802 8016327980 For business enquiries Whatsapp 8250852074

ব্যাথায় বহুল ব্যাবহৃত বহুত উপকারী কালোন্জি তেল Read More »