Author name: Asshifa

https://docs.google.com/document/d/11wmI9ZvBGHkVALiNR8bhHu3-sX-544z8/edit শিরোনাম: ডা. ইয়ার আলী: শরীরের ভাষা বোঝেন যে "সায়েন্টিফিক হিলার" Listen,see,share, subscribe, follow this YouTube channel for High Riched medical education and contents: https://www.youtube.com/@Dr.Yearali Follow the Facebook: https://www.facebook.com/share/1CifjmEi3G/ ভূমিকা: চিকিৎসা জগতে ডা. ইয়ার আলী এক অনন্য নাম। তিনি কেবল একজন এমবিবিএস ডাক্তার নন, তিনি বায়োকেমিস্ট্রি বা প্রাণরসায়নে এমডি (MD) ডিগ্রিধারী একজন বিশেষজ্ঞ। তাঁর বিশেষত্ব হলো, তিনি আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের গভীরতম জ্ঞান এবং পার্শ্বপ্রতিক প্রতিক্রিয়াহীন হোলিস্টিক পদ্ধতির (যেমন: সায়েন্টিফিক হিজামা) এক অপূর্ব সমন্বয় ঘটিয়েছেন। সাধারণ মানুষের মনে তাঁর চিকিৎসা পদ্ধতি ও যোগ্যতা নিয়ে সঠিক ধারণা তৈরি করতে নিচের ১০টি বিষয় জানা জরুরি: ডা. ইয়ার আলী সম্পর্কে ১০টি মূল ধারণা: ১. শরীরের 'রসায়ন' বিশেষজ্ঞ (The Body Chemist): সাধারণ ডাক্তাররা সাধারণত রোগের বাহ্যিক লক্ষণ দেখে ওষুধ দেন। কিন্তু MD (Biochemistry) হওয়ার কারণে ডা. ইয়ার আলী জানেন শরীরের কোষের ভেতরে কী রাসায়নিক পরিবর্তন বা গণ্ডগোল হচ্ছে। তিনি রোগের শিকড় অর্থাৎ কেমিক্যাল ইমব্যালেন্স খুঁজে বের করেন। ২. সমন্বিত চিকিৎসা (Integrated Approach): তিনি আধুনিক অ্যালোপ্যাথি ওষুধকে অস্বীকার করেন না। তিনি প্রয়োজন অনুযায়ী ওষুধের পাশাপাশি জীবনযাত্রার পরিবর্তন এবং সায়েন্টিফিক হিজামা প্রয়োগ করেন। তাঁর কাছে রোগী আধুনিক বিজ্ঞানের নিশ্চয়তা এবং প্রাকৃতিক চিকিৎসার নিরাপত্তা—দুটোই পান। ৩. সায়েন্টিফিক হিজামা—কোনো সাধারণ থেরাপি নয়: তাঁর তত্ত্বাবধানে হিজামা রাস্তার ধারের কোনো টোটকা নয়, বরং এটি একটি 'মাইনর সার্জিক্যাল প্রসিডিউর'। একজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার হিসেবে তিনি অপারেশন থিয়েটারের মতো জীবাণুমুক্ত পরিবেশ (Sterilization) এবং গ্লাভস-মাস্ক ব্যবহার করে ১০০% নিরাপদে এটি সম্পন্ন করেন। ৪. মেটাবলিক রোগের সেরা সমাধান: ডায়াবেটিস, ফ্যাটি লিভার, থাইরয়েড বা ইউরিক অ্যাসিডের মতো রোগগুলো মূলত শরীরের বিপাকীয় বা রাসায়নিক সমস্যা। একজন বায়োকেমিস্ট হিসেবে এই রোগগুলো নিয়ন্ত্রণে তাঁর পরামর্শ সবচেয়ে বিজ্ঞানসম্মত এবং কার্যকর। ৫. ব্যথা নিরাময়ের শেষ আশ্রয়স্থল: যারা বছরের পর বছর ব্যথানাশক ওষুধ (Painkillers) খেয়ে লিভার ও কিডনি ঝুঁকির মুখে ফেলছেন, তাদের জন্য ডা. ইয়ার আলীর সায়েন্টিফিক হিজামা এক নতুন আশার আলো। ওষুধ যেখানে কাজ করা বন্ধ করে দেয়, তাঁর পদ্ধতি সেখান থেকেই কাজ শুরু করে। ৬. শরীরের সঠিক ডিটক্সিফিকেশন: আমরা জানি শরীর থেকে টক্সিন বের করা জরুরি। ডা. ইয়ার আলী জানেন শরীরের কোন অংশে টক্সিন জমে প্রদাহ (Inflammation) তৈরি করছে। তিনি হিজামার মাধ্যমে সেই দূষিত রক্ত ও টক্সিন বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে বের করে আনেন। ৭. রোগের মূলে আঘাত (Root Cause Treatment): তিনি কেবল সাময়িক ব্যথাকমা বা সুগার কমানোর ওষুধ দিয়ে দায়িত্ব শেষ করেন না। কেন রোগটি বারবার ফিরে আসছে, শরীরের সেই মূল কারণটি তিনি বিশ্লেষণ করেন এবং সারিয়ে তোলার চেষ্টা করেন। ৮. নিরাপদ ও পার্শ্বপ্রতিক প্রতিক্রিয়াহীন: তাঁর চিকিৎসা পদ্ধতির অন্যতম বড় সুবিধা হলো এটি নিরাপদ। অতিরিক্ত ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থেকে রোগীকে বাঁচিয়ে শরীরের নিজস্ব নিরাময় ক্ষমতাকে তিনি জাগিয়ে তোলেন। ৯. ভুল ধারণার অবসান: অনেকে ভাবেন এমডি ডাক্তার কেন হিজামা করবেন? বাস্তবতা হলো, আধুনিক মেডিসিনের সীমাবদ্ধতাগুলো (যেমন ক্রনিক ব্যথা বা টক্সিন জবা) কাটানোর জন্যই তিনি এই শক্তিশালী ও প্রমাণভিত্তিক পদ্ধতি ব্যবহার করেন। এটি তাঁর আধুনিকতারই প্রমাণ। ১০. একজন 'সায়েন্টিফিক হিলার' (The Scientific Healer): তিনি কেবল প্রেসক্রিপশন লেখা ডাক্তার নন, তিনি একজন স্বাস্থ্য বিজ্ঞানী যিনি আপনাকে সুস্থ থাকার পূর্ণাঙ্গ পথ দেখান। Title: Bridging Biochemistry and Holistic Modalities: The Clinical Profile of Dr. Year Ali Sk ​Introduction: Dr. Year Ali Sk presents a unique clinical profile in the contemporary medical landscape. Holding an MBBS coupled with an MD in Biochemistry, he possesses deep insights into physiological and metabolic pathways at a cellular level. Dr. Ali distinguishes his practice by integrating conventional evidence-based medicine with adjunct holistic therapies, specifically Scientific Hijama (Wet Cupping). This report aims to clarify his professional standing and therapeutic approach to the medical community. ​10 Key Points Defining Dr. Year Ali’s Practice for Professionals: ​Solid Academic Foundation (MD Biochemistry): Unlike traditional holistic practitioners, Dr. Ali’s approach is grounded in rigorous academic training. His MD in Biochemistry allows him to analyze diseases not just symptomatically, but through the lens of metabolic dysregulation and cellular biochemistry. ​Integrated Medicine Model: Dr. Ali does not practice alternative medicine in isolation; he practices Integrated Medicine. He utilizes standard pharmacotherapy where indicated guidelines necessitate, while using Hijama as a scientifically-backed adjunct therapy to enhance patient outcomes in chronic cases. ​Scientific Rationale for Hijama: To the medical community, Dr. Ali frames Hijama not as folklore, but as a therapeutic modality aimed at reducing specific inflammatory markers (e.g., cytokines, prostaglandins), mitigating oxidative stress, and improving localized microcirculation, based on emerging clinical evidence. ​Focus on Metabolic Syndromes: His background makes him uniquely qualified to manage complex metabolic disorders such as Insulin Resistance, Type 2 Diabetes, Dyslipidemia, and Non-Alcoholic Fatty Liver Disease (NAFLD) by targeting the root biochemical imbalances rather than just managing surrogate markers like blood glucose. ​Adherence to Aseptic Clinical Protocols: Addressing safety concerns, Dr. Ali performs Hijama as a minor clinical procedure. He strictly adheres to surgical asepsis, including the use of sterile disposable cups, surgical blades, and proper biohazard disposal, ensuring zero risk of cross-infection like Hepatitis or HIV. ​Non-Opioid Pain Management Strategy: For chronic musculoskeletal pain resistant to NSAIDs or where long-term medication poses renal/hepatic risks, Dr. Ali offers Scientific Hijama as an effective non-opioid alternative for pain modulation and inflammation reduction. ​Targeting "Non-Responsive" Chronic Patients: His practice often serves as a referral point for patients who have plateaued on standard protocols. His integrated approach offers a new avenue for managing refractory chronic conditions. ​Root Cause Analysis over Symptom Suppression: Utilizing his biochemistry expertise, Dr. Ali emphasizes identifying the underlying physiological stressors and pathway blocks leading to disease states, rather than solely relying on chronic symptom suppression. ​Evidence-Based Detoxification: He redefines detoxification in a clinical context—using Hijama to assist in the removal of accumulated metabolic waste products and interstitial stasis that contribute to chronic low-grade inflammation. ​"The Scientific Healer" Positioning: Dr. Ali positions himself as a bridge between conventional medical science and time-tested therapies. He is a disciplined clinician who validates holistic approaches through the rigorous scrutiny of his biochemical knowledge.

আপনার কতটুকু দৈনিক ক্যালোরি প্রয়োজন?

রমাজানের সিয়াম বা নফল সিয়াম করে ওজন কমানোর জন্য প্রথমেই প্রয়োজন নিজের দেহের উপর দৈনিক কতটুকু ফিজিক্যাল চাপ বা কাজ করা হয়। দ্বিতীয়ত: নিজের BMR( Basal Metabolic Rate) বের করা। এই কাজের ধরণকে মোটামুটি ৫ ভাগে ভাগ করা যায়:- ১) সেডেন্টারি বা অলস জীবন:- কোন দৈহিক কাজ তেমন করেনা। শুয়ে বসে দিন কাটাই যারা তারা এই গ্রুপের অন্তর্ভুক্ত। এদের দৈনিক ক্যালোরি খরচ = BMR×1.2 Cal. ২) সামান্য কাজের মুটামুটি অলস জীবন:- মেন্টাল কাজ আছে। সপ্তাহে ১-৩ দিন সামান্য ফিজিক্যাল কাজ বা এক্সারসাইজ করে। যারা অফিস বা টিচিং, ডাক্তার, ইন্জিনিয়ার, প্রফেসর, বিজিনেস নিয়ে কাজ করেন মুটামুটি তারা এই গ্রুপের অন্তর্ভুক্ত। এদের দৈনিক ক্যালোরি খরচ= BMR×1.375 Cal. ৩) বেশ অনেকটা দৈহিক কাজের জীবন:- সপ্তাহে ৩-৫ দিন দৈহিক কাজের বা এক্সারসাইজের কাজ করে থাকে। যারা দৈনিক সপ্তাহে ৩-৫ দিন কারখানা, মাঠ ক্ষেতে ৫-৮ ঘন্টা কাজ করেন তারা এই গ্রুপের অন্তর্ভুক্ত। এদের দৈনিক ক্যালোরি খরচ= BMR×1.55 Cal. ৪) খুব দৈহিক দৈনিক কাজের জীবন:- সপ্তাহে ৬-৭ দিন ই ৫-৮ ঘন্টা দৈহিক কাজ করেন তারা এই গ্রুপের অন্তর্ভুক্ত। এদের দৈনিক ক্যালোরি খরচ =BMR×1.75 Cal. ৫) খুবই বেশি দৈনিক দৈহিক কাজের জীবন:- যারা সপ্তাহে ৬-৭ দিন ই ৮ ঘন্টার বেশি দৈনিক কাজ করে থাকে তারা এই গ্রুপের অন্তর্ভুক্ত। এদের দৈনিক ক্যালোরি খরচ= BMR×1.9 Cal. যে ক্যালোরি খরচ আপনার নিজের জন্য আসবে, আপনার দেহ ও মনের সুস্থতার জন্য ঐটুকু ক্যালোরি মিনিমাম খেতেই হবে (যদি না আপনার ওবেসিটি থাকে) । এর থেকে কম ক্যালোরি খেলে দেহ ক্ষয় হবে। এর থেকে বেশী খেলে দেহ ভারি হবে বা ওজন বাড়বে। এখন আমরা জানি, শুধুমাত্র কার্বোহাইড্রেট ( প্রথমত:), ফ্ল্যাট ( দ্বিতীয়তঃ)ও প্রোটিন (সর্বশেষ ) থেকেই শক্তি করতে পারে আমাদের দেহের কোষ। প্রতি ১ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট ৪ ক্যালোরি প্রতি ১ গ্রাম ফ্যাট ৯ ক্যালোরি প্রতি ১ গ্রাম প্রোটিন ৪ ক্যালোরি শক্তি দান করতে পারে। মুটামুটি সারাদিন মিক্সড খাবার খেলে, খাবারের মধ্যে কার্বোহাইড্রেট: ফ্যাট: প্রোটিন এর আনুপাতিক হার ৫০:৩০:২০ ( মুটামুটি) তাহলে, ১০০ গ্রাম খাবার খেলে ৫০ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট, ৩০ গ্রাম ফ্যাট, ২০ গ্রাম প্রোটিন থাকছে। তাহলে, গৃহীত ক্যালোরি মুটামুটি= ৫০×৪+৩০×৯+২০×৪= ২০০+২৭০+৮০ = ৫৫০ ক্যালোরি। এইভাবে, ২০০ গ্রাম খাবার খেলে ১১০০ ক্যালোরি, ৩০০ গ্রাম খেলে ১৬৫০ ক্যালোরি, ৫০০ গ্রাম খেলে ২৭৫০ ক্যালোরি শক্তি উৎপাদন হয় দেহের মধ্যে। এখন BMR বের করার জন্য Harrison-Benedict Equation ব্যাবহার করা যেতে পারে। Male দের জন্য, BMR= 66+(6.23×weight in pounds)+(12.7×Height in inches)-( 6.8×age in years) Female দের জন্য, BMR= 655+(4.35×weight in pounds)+ ( 4.7×height in inches) – (4.7× age in years) 1 kg= 2.205 pounds 1 centimetre= .394 inches 1 foot= 30.48 centimetres 1 centimetre= .01 meter ধরুন, কোন মহিলার ওজন 54 কেজি, উচ্চতা 5’২”, বয়স‌ ৩২ বছর। 5’2″= 5×30.48cm+2 inches= 152.4 cms+ 2 inches= 152.4×.394 inches+2 inches= 60.0456+2 inches= 62.0456 inches. তাহলে, ঐ মহিলার BMR = 655+ ( 4.35×54×2.205)+(4.7× 62.0456)-(4.7×32) = 655+ 517.9545+291.61432-150 = 1314.56 Cal. ঐ মহিলা যদি অলসতার জীবন হয়, তাহলে তার দৈনিক ক্যালোরি প্রয়োজন= BMR×1.2= 1314.56×1.2= 1577.48Cal = 1600 Cal ( approx) . ধরুন, একজন পুরুষের বয়স ৩৮ বছর, ওজন ৭৬ কেজি, উচ্চতা ৫’৮”. তাহলে, ৭৬ কেজি = ৭৬×২.২০৫ পাউন্ড=১৬৭.৫৮ পাউন্ড। ৫’৮”= ৫×৩০.৪৮ সেমি+৮ সেমি= ১৫২.৪৮+৮ সেমি= ১৬০.৪৮ সেমি= ১৬০.৪৮×.৩৯৪ ইন্চি=৬৩.১৯৭৬ ইন্চি। BMR= 66+(6.23×167.58)+(12.7×63.1976)-(6.8×38) = 66+1044.02+802.60-258.4 =1654.22 Cal. = 1700 cal ( approximately) এখন ঐ পুরুষটি যদি উপরিউক্ত ২ নম্বর গ্রুপের অন্তর্ভুক্ত জীবন যাপন করেন, তাহলে দৈনিক ক্যালোরি খরচ= BMR×1.375 Cal. = 1700×1.375 Cal. = 2337 Cal. এইভাবে ক্যালোরি, 🔗নিজের কাজের ধরণ 🔗 নিজের ওজন 🔗 নিজের উচ্চতা 🔗 নিজের বয়স থেকে দৈনিক খরচের হিসাব বের করে নিন। এবার আপনার BMI = Basal Metabolic Index মাপুন। BMI= weight in kilograms / (height in meters x height in meters) BMI হিসেবে আপনার অবেসিটি বা শরীরের গঠন অনুযায়ী চর্বি বেশি আছে কি না জেনে নিন। – Underweight: BMI less than 18.5 – Normal weight: BMI between 18.5 and 24.9 – Overweight: BMI between 25 and 29.9 – Obese: BMI 30 or higher ঐ মহিলার Weight= 54 kg Height= 5’2″= 5×.3048 meters + 2× .0254 meters= 1.5748 meters. ® ( 1 ft= .3048 meters, 1 inche= .0254 meters) তাহলে BMI= 54/(1.5748)^2 = 54/2.4799 = 21.775 তাহলে, ঐ মহিলার স্বাভাবিক ওজন আছে। উনি যে খাদ্য গ্রহণ করবেন তার সারাদিনের ক্যালোরি উৎপাদন 1600 Cal এর কমে রাখতে হবে। তবেই দেহ পাতলা বা স্থূল হবেনা। বেশি খেলেই ওজন বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। অর্থাৎ মিক্সড খাবার খেলে 250-300 gm এর খাবারই সারাদিন ব্যাপি যথেষ্ট। একই ভাবে, ঐ পুরুষটির BMI WEIGHT -76 Kgs HEIGHT – 5’8″ = 5×.3048 meters+ 8×.0254 meters =1.7272 meters BMI= 76/(1.72)^2 = 76/2.9832 = 25.4759 তাহলে, ঐ পুরুষটির ওজন বাড়ার দিকে চলছে। তাই, Calories expenditure বাড়াতে হবে বা Calories খাবারের মধ্যে কমাতে হবে। যদি ঐ পুরুষটির কাজের ধরণ পরিবর্তন না হয়, তাহলে 2377 Cal এর থেকে খাবার গ্রহণ কমাতে হবে। 2100-2200 Cal এর রাখতে হবে ওজন কমাতে কোনরকম এক্সারসাইজ ছাড়াই। এইভাবে, আমরা নিজেরাই নিজেদের খাদ্যের পরিমাণ ঠিক করে ওজন, শরীর ও স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে পারি। সিয়াম চলাকালীন এই হিসাব ধরে আমাদের সেহেরি ইফতার ও রাতের খাবারের পরিমাণ নির্ধারণ করতে হবে। তা নাহলে সিয়াম সাধনার পরও ওজন কমানোর সম্ভাবনা নেই। একজন মানুষের পেট ভর্তি খেলে খাদ্যের থলি সর্বোচ্চ পরিমাণ ১-১.৫ লিটার। অর্থাৎ প্রায় ১-২ কেজি খাবার গ্রহণ করতে পারে। বিভিন্ন মানুষের বিভিন্ন পরিমাণ। বুকভর্তি করে যদি ২ বার খায়, তাহলেও দিনে প্রায় ২ কেজি খাবার খাবে। সেক্ষেত্রে গৃহীত ক্যালোরি প্রায় ৫৫০×২০ ক্যালোরি = ১১০০০ ক্যালোরি। তাহলে অতিরিক্ত ক্যালোরি চর্বি হিসাবে জমবে। কিন্তু যদি নিজস্ব দেহের Ghrelin ও Leptin হরমোন দুটোর ক্ষুধা ও তৃপ্তির অনুভূতির নিরিখে ১/৩ পেটে ২ বার খায়, তবে গৃহীত খাদ্যের পরিমাণ প্রায় ৫০০ গ্রাম সারাদিন। তাহলে, গৃহীত ক্যালোরি ৫৫০×৫= ২৭৫০ ক্যালোরি যা প্রায় দৈনিক ক্যালোরি খরচের কাছাকাছি। তাই, বেশি খাবার খেয়ে, পেটভরে খেয়ে সেহেরি বা ইফতার নয়, বরং হাদিসের পরামর্শ অনুযায়ী খাবার গ্রহণ করুন। তবেই শরীরের ও স্বাস্থ্যের জন্য সিয়াম কল্যাণ বয়ে আনবে ইনশাআল্লাহ। “মানুষের ভরা পেটের চেয়ে খারাপ পাত্র আর নেই। আদম সন্তানের কোমর সোজা রাখার জন্য কয়েকটি লোকমাই তো যথেষ্ট; সুতরাং সে যদি তাতে তুষ্ট না হতে পারে, তাহলে (পেটকে তিন ভাগে ভাগ করে নেবে) এক-তৃতীয়াংশ খাদ্যের জন্য, এক-তৃতীয়াংশ পানির জন্য এবং অপর এক-তৃতীয়াংশ শ্বাস-প্রশ্বাসের জন্য ঠিক করে নেবে।” (আহমাদ, ইবনু মাজাহ, তিরমিযী ও হাকেম এবং হাদিসটি ‘হাসান’) । এখানে আরেকটি হিসাব যোগ করা যেতে পারে। প্রতি ১ রাকাত নামায ঠিকঠাক ভাবে ৫ মিনিট ধরে পড়লে ক্যালোরি খরচ হয়= ৫ ক্যালোরি ( approximately) তাহলে শুধুমাত্র ১৭ রাকাত ফরজ নামাজের জন্য ক্যালোরি খরচ= ১৭×৫= ৮৫ ক্যালোরি

আপনার কতটুকু দৈনিক ক্যালোরি প্রয়োজন? Read More »

রক্তের চর্বি কী আদৌ ভালো?

LDL বেশি হলে ( 100 mg/dl) যেমন Atherosclerosis বেড়ে যায়, তেমনি LDL খুব কমে গেলেও ( 40 mg/dl) কোষের intercellular and intracellular হোমিওস্টাসিস ব্যাহত হয়। HDL কম হলে (40 mg/dl) Atherosclerosis এর breakdown কমে যায় , তেমনি HDL খুব বেশি হলেও ( 100 mg/dl) কোষের হোমিওস্টাসিস নষ্ট হয়ে যায়। উভয় ক্ষেত্রেই পরিমিত নির্দিষ্ট মাত্রার মধ্যে কোলেস্টেরল রক্তে না থাকলে – – কোষের ক্ষতি হয় । কোষের বিভিন্ন হরমোনের সাথে সিগন্যালিং ঠিকঠাক হয়ে উঠে না ‌ ফ্যাটিগ, ডায়াবেটিস, প্রভৃতি পরপর হতে থাকে। – বিভিন্ন ধমনী, শিরা উপশিরা ও জালিকার গায়ে চর্বি জমে রক্তের যথাযথ পরিবহনে ব্যাঘাত করে। – লিভারের লবিউলের মধ্যে কোলেস্টেরল বেশি জমে লিভারকে ফ্যাটি বা কনজেষ্টেড বা বড় করে দেয়। – যথাযথ পরিমাণে ও কোয়ালিটিতে বাইল এসিড তৈরি না হয়ে পেটের সমস্যা পরপর আসতে থাকে। – ভিটামিন ডি, কর্টিসল,সেক্স হরমোন তৈরি হয়না। ইমিউনিটি কমে যায়। হাড়ের দূর্বলতা তৈরি হয়। যৌন কার্যকলাপ এ ভাটা পড়ে যায়। তাই কোনকিছুই কম যেমন ভালো নয়, তেমনি বেশিও ভালো নয়। তাই, কোলেস্টেরলের সঠিক ও যথার্থতা পরিমাপ করতে LDL : HDL এর হিসাবটা গুরুত্বপূর্ণ। LDL:HDL (2.5-3.5) হল একটা সামঞ্জস্যপূর্ণ পারস্পরিক পরিমাণ। এর বেশি হলেও ক্ষতিকর। কম হলেও! এইজন্যই, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা বলেছেন – সুরা মুরসালাত- ৭৭ নং সুরার ২৩ নং আয়াত:- ”#আমি_একে_গঠণ_করেছি_পরিমিতভাবে_অতএব_আমি_কত_নিপুণ_নিরুপণকারী” সুবাহানাল্লাহি ওয়াল হামদুলিল্লাহি ওয়াল ইলাহা ইল্লাল্লাহু আল্লাহু আকবার।

রক্তের চর্বি কী আদৌ ভালো? Read More »

হাজার বছর আগে বাঙ্গালি জাতির মুখের ভাষা ‘বাংলা’কে কেড়ে নিয়েছিলো

সেন রাজাদের হিন্দু পণ্ডিতরা ফতওয়া জারি করেছিলো, “যারা বাংলা ভাষা বলবে ও শুনবে তারা ‘রৌরব’ নামক নরকে যাবে।” ঐ সময় তুর্কি বংশোদ্ভূত ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বখতিয়ার খিলজী নির্যাতিত বাঙালীদের মুক্ত করতে এগিয়ে আসেন এবং ১২০৪ সালে মাত্র ১৮ জন ঘোড়সওয়ারী নিয়ে সেন রাজাকে পরাজিত করে বাংলাকে স্বাধীন করেন। বক্তারা বলেন, ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বখতিয়ার খিলাজীর বাংলা বিজয়ের মাধ্যম দিয়ে সেইদিন শুধু ভূমির বিজয় হয়নি, সাথে মুক্ত হয়েছিলো বাঙ্গালীদের মুখের ভাষা ‘বাংলা’।   ভাষাবিদ দীনেশ চন্দ্র সেন বলেন, “মুসলমান সম্রাটগণ বর্তমান বঙ্গ-সাহিত্যের জন্মদাতা বললে অত্যুক্তি হয় না। বঙ্গ-সাহিত্য মুসলমানদেরই সৃষ্ট, বঙ্গ-ভাষা বাঙালি মুসলমানের মাতৃভাষা।” অধ্যাপক ও গবেষক মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান বলেন, “যদি বাংলায় মুসলিম বিজয় ত্বরান্বিত না হতো এবং এদেশে আরো কয়েক শতকের জন্য পূ্র্বের শাসন অব্যাহত থাকতো, তবে বাংলা ভাষা বিলুপ্ত হয়ে যেত এবং অবহেলিত ও বিস্মৃত-প্রায় হয়ে অতীতের গর্ভে নিমজ্জিত হতো।” মধ্যযুগে মুসলিম শাসকদের রাজকীয় পৃষ্ঠপোষকতায় বাংলা ভাষার যে সাহিত্য চর্চা শুরু হয়, তার মাধ্যমে বাংলা ভাষা একটি পরিপূর্ণ ভাষা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করার যোগ্যতা অর্জন করে।   বাংলা ভাষাকে কলুষিত করার চেষ্টা পরবর্তীতে যুগে যুগে আরো হয়। ১৮শ’ সনে ব্রিটিশরা কলকাতায় ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠা করে বাংলা ভাষার আরবী ও ফারসী শব্দ বাদ দিয়ে সংস্কৃত শব্দ প্রবেশের উদ্দেশ্যে সাহিত্য চর্চা শুরু করে। তারা দেখাতে চায়, “বাংলা ভাষার সাথে মুসলমানদের কোন সম্পর্ক নেই”।   মুসলিমদের হেয় প্রতিপন্ন করতে প্রচার করা হয়, বাংলা ভাষায় প্রথম কুরআন শরীফ অনুবাদ নাকি গিরিশ চন্দ্র সেন করেছে। অথচ ১৮৮৬ সালে গিরিশ চন্দ্র সেনের অনুবাদের বহু পূর্বে ১৮০৮ সালে বাংলা ভাষায় কুরআন শরীফের আংশিক অনুবাদ করেন মাওলানা আমীরুদ্দীন বসুনিয়া। এরপর ১৮৩৬ সনে মৌলভী নাঈমুদ্দীন পূর্ণাঙ্গ কুরআন মাজীদের বাংলা অনুবাদ সম্পন্ন করেন। অথচ এ ইতিহাস প্রচার করা হয় না।   সুত্র: খন্দকার কামরুল হুদা, স্বাধীনতা সংগ্রাম ও শেখ মুজিব, ১৯৯৫ পৃ. ৩২, বাংলাপিডিয়া

হাজার বছর আগে বাঙ্গালি জাতির মুখের ভাষা ‘বাংলা’কে কেড়ে নিয়েছিলো Read More »

সুগার রোগীর এক্সারসাইজ ও ডায়েট

 দৈনিক নিয়মিত হাল্কা বা মাঝারি স্ট্রেনের এক্সারসাইজ ( ভারি এক্সারসাইজ নয় কিন্তু) যে সকল মলিকুলার ও বায়োকেমিক্যাল পরিবর্তন করে তা হল- ১) সর্বাঙ্গের কাজ বেড়ে যায় বলে কোষের শক্তি উৎপাদনের প্রয়োজনীতা বেড়ে যায়। ২) কোষের মধ্যে মাইটোকন্ড্রিয়াল বায়োজেনেসিস বৃদ্ধি পায়। ৩) সুপ্রা রেনাল গ্লান্ড থেকে এড্রিনালিন বেশি ক্ষরিত হয়ে রক্ত, কোষ,প্যাংক্রিয়াস প্রভৃতি সর্বাঙ্গে পৌঁছায়। ৪) এড্রিনালিন হরমোন প্যাংকরিয়াসকে ইনসুলিন সিক্রেশন করতে উত্তেজিত করে তোলে। গ্লুকাগোন কমিয়ে আনে। ৫) কিন্তু ডায়াবেটিসে রোগীর প্যাংক্রিয়াস ১০০% সক্ষম ও সতেজ না থাকায় যথেষ্ট ইনসুলিন তৈরি হয়ে রক্তে আসতে পারেনা। কিন্তু গ্লুকাগোন তুলনায় বেশি তৈরী হতে শুরু করে যখন ব্রেনের হাইপোথ্যালামাস এর ব্লাড গ্লুকোজ রেগুলেটরি সেন্টার কোষের মধ্যে গ্লুকোজের অভাব অনুভব করে। ৬) ফলত: লিভারের মধ্যে জমে থাকা গ্লাইকোজেন ভাঙতে শুরু করে। এক্ষেত্রে , এড্রিনালিন ও গ্লুকাগোন দুজনেই দুইভাবে একই কাজ করে। Beta adrenergic receptor stimulation করে glycogen ভেঙে গ্লুকোজ করে এড্রিনালিন এবং গ্লুকাগন Adenylate cyclase stimulate করে কোষের মধ্যে cAMP বৃদ্ধি করে গ্লাইকোজেন ভেঙে গ্লুকোজ তৈরি করে ( Glycogenolysis) । গ্লুকাগোন শুধুমাত্র লিভারের উপর কাজ করে glycogen ভাঙতে পারে এবং protein ( amino acids, fatty acids থেকে নতুন গ্লুকোজ তৈরি করে Gluconeogenesis)এবং সেটা শুধু মাত্র লিভারেই। কিন্তু ডায়াবেটিস রোগীদের লিভারের গ্লাইকোজেন সন্চয় খুবই কম। তাই এছাড়াও, ৭) এড্রিনালিন ও গ্লুকাগোন এডিপোজ টিস্যুতে জমে থাকা স্টোর ফ্যাট TAG,CE কে নেক্সট টার্গেট করে দেহের শক্তি উৎপাদন কারী কাঁচামাল গ্লুকোজ বা এসিটাইল কো এ তৈরীর জন্য। ৮) এড্রিনালিন ও (ইনসুলিন :গ্লুকাগোন<.৬) এডিপোজ টিস্যুতে বা ভাসকুলার এন্ডোথেলিয়াল লেয়ারে থাকা এনজাইম LPL কে উত্তেজিত করে তোলে। সক্রিয় LPL তখন কোষের চারিপাশের, ম্যাট্রিক্সের, এন্ডোথেলিয়াল লেয়ারের, এডিপোজ কোষের ভিতরের ফ্ল্যাট কে ভেঙে ভেঙে ফ্যাটি এসিড, ফ্রি কোলেস্টেরল, গ্লিসেরল তৈরি করে।একে লাইপোলাইসিস বলে।   ৯) কোষের মধ্যে প্রয়োজন টুকু রেখে বাকি ফ্যাটি এসিড গুলো তুলে নিয়ে দেহের (লিভার, মাসল)সকল কোষে ( ব্রেন ও লোহিত রক্ত কণিকা বাদ দিয়ে) বহন করে নিয়ে যায় HDL. কারণ, HDL এর LCAT( Lecithin: Cholesterol acyl transferase) থাকে। ফলে বেশি বেশি পরিমাণে ইন্টেষ্টিন ও লিভারের কোষের মধ্যে HDL তৈরী হতে থাকে। ১০) এই ফ্যাটি এসিড মাসল টিস্যুতে পৌঁছায় HDL ও Albumin এর সাহায্যে। ওখানে ফ্যাটি এসিড কোষের মধ্যে ঢুকে; সাইটোপ্লাজম থেকে কারনিটিনের সাহায্যে মাইটোকন্ড্রিয়ার মধ্যে ঢুকে। এই ঘটনা ( শুধু মাত্র ৮-১২ কার্বন) ছোট ও মাঝারি ধরণের ফ্যাটি এসিডের জন্য। লম্বা হলে (>১৬কার্বন) আরেকটা অতিরিক্ত জায়গা পারক্সিজমে যেতে হয় আরো ছোট হবার জন্য। ১১) এরপর ফ্যাটি এসিড থেকে এসিটাইল কো এ এবং শক্তি উৎপন্ন হয় ক্রেবস সাইকেলে। এটা ঘটে ব্রেন ও RBC ছাড়া দেহের সব কোষে।   ১২) ফ্রি কোলেস্টেরল কে HDL তুলে নিয়ে গিয়ে লিভারে ফেলে। লিভার এই কোলেস্টেরল ও নিজের মধ্যে ফ্যাটি এসিড থেকে তৈরি করা কোলেস্টেরল ও ফ্যাটি এসিড কে Glycerol এর সাথে esterification করে, অতঃপর VLDL এ প্যাক করে রক্তে পাঠায় । কোলেস্টেরল সিনথেসিস লিভারের মধ্যে বেড়ে যায় বিধায় লিভারের জমে থাকা চর্বি TAG ভেঙে ফ্যাটি এসিড তৈরি হয়। এই ফ্যাটি এসিড থেকে এসিটাইল কো এ এবং সেখান থেকে বহু শক্তি ও স্টেপের পথ খরচ করে কোলেস্টেরল তৈরী করে।   ফলে, এক্সারসাইজ করলে লিভারের মধ্যে বায়োকেমিক্যাল বহু প্রসেস অত্যাধিক বৃদ্ধি পায়।   – গ্লাইকোজেন ভাঙছে – প্রোটিন বা ফ্যাট থেকে নতুন গ্লুকোজ তৈরি করছে ( transamination, deamination). – কোলেস্টেরল সিনথেসিস বাড়ছে – ফ্যাটি এসিড এর বিটা অক্সিডেশন বাড়ছে   ফলে লিভারের অন্যান্য কাজগুলো স্তিমিত হবে। বাইল এসিড তৈরি খুবই কম হবে। তাই এক্সারসাইজ এর আগে ২-৩ ঘন্টা ও পরে ৩০-৬০ মিনিট পেটে কিছু দিলেই বদহজম হবে।   ১৩) এডিপোজ কোষের মধ্যে তৈরি হওয়া fatty acid লিভারের মধ্যে আসার পর VLDL এগুলোকে সব কোষে নিয়ে যায় via IDL, LDL ।   ১৪) এমাইনো এসিড ও ফ্যাটি এসিড, Lactate ছাড়াও, গ্লিসেরল নিওগ্লুকোজেনেসিস করে লিভারের মধ্যে গ্লুকোজ তৈরি করে। যা লোহিত রক্ত কণিকা ও কিছুটা ব্রেনের শক্তি উৎপাদন কারী কাঁচামাল হিসেবে সরবরাহ হয়।   ১৫) অনেকটা এসিটাইল কো এ কিটোন বডি তৈরি করে যা রক্তের natural pH buffer বাইকার্বোনেটকে কমিয়ে দেয়। ফলে রক্তের এসিডিটি বেড়ে গিয়ে এসিডোসিস ঘটে। যা প্রাণ ঘাতক অনেক সময়।   ১৬) কিছু কিটোন বডি ( বিটাহাইড্রক্সি বিউটাইরিক এসিড) রক্তের মাধ্যমে ব্রেনে গিয়ে কিছুটা শক্তি উৎপাদন কারী কাঁচামাল হিসেবে কাজ করে।   ১৭) এই এক্সারসাইজ অবস্থায় রক্তের গ্লুকোজ বেশি থাকলেও লিভারে ও ভূড়ি, পিঠে পেটে জমা চর্বি কমাতে সাহায্য করে। রক্তে HDL বাড়বে,LDL অত না কমলেও LDL:HDL অনেক কমবে। ফলে, এথেরোস্ক্লেরোসিস কমবে। প্রেসার, হার্ট ডিসিস,ফ্যাটি লিভার,ভুড়ি, ওজন কমবে।   ১৮) কোষের চারপাশে ও মেমব্রেনে কোলেস্টেরল,TAG কমবে। ফলে ইনসুলিন সেন্সিটিভিটি বাড়বে। ১৯) যেটুকু ইনসুলিন তৈরি হচ্ছে ওগুলোর অধিকাংশ টাই এবার কোষের উপর কাজ করতে পারবে, যেটা এতদিন স্লো চলছিল। ইনসুলিনের কাজের গতি ও সেন্সিটিভিটি আসবে।   ১৯) রক্তের গ্লুকোজ ফটাফট কোষে ঢুকতে শুরু করবে। কোষ তার মূল স্রোতে ফিরে এসে চনমনে হয়ে উঠবে।   ২০) এড্রিনালিনের ভূমিকা শেষ হলেই দেহ থেকে বেরিয়ে পড়বে লিভার ও প্রস্রাবে মাধ্যমে।   ২১) ফলে ইনসুলিন: গ্লুকাগোন বাড়তে থাকবে ধীরে ধীরে।   ২২) শেষমেশ রক্তের গ্লুকোজ কমতে শুরু করবে। ডাডয়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে আসবে।   এবার যদি রোজা থাকি, তবে সেইম বায়োকেমিক্যাল ঘটনা গুলো ঘটবে। এক্সট্রা যেটা হবে সেটা হল – 💯লিভার এর CYP P450 system সক্রিয় ও বেশি বেশি কাজ শুরু করে, 💯 ফ্যাটি এসিড লোড টু VLDL কমে যায়। VLDL কম তৈরি হয় . । কারণ ফাষ্টিং অবস্থায় লিভারের মধ্যে কোষের RER এ apolipoprotrin B100 সিনথেসিস একদম কমে যায়। অধিকাংশ ফ্যাটি এসিড গুলো কিটোজেনেসিস, গ্লুকোনিওজেনেসিস এ প্রবেশ করে বেঁচে থাকার জন্য। 💯আরো কম পরিমাণে শিরা ধমনীর গায়ে LDL যায়। 💯 আরো বেশি পরিমাণে HDL পেরিফেরাল কোষ থেকে চর্বি লিভারের মধ্যে নিয়ে এসে Fatty acid-acetyl coA- amino acid,KB তৈরি হয়। 💯প্যাংক্রিয়াস ও লিভারের ডাইজেশন কাজে বিরতি পায় এবং অন্যান্য কাজগুলো বেশি গতিতে করতে সক্ষম হয়। তবে ১৮-২৪ ঘন্টার বেশি না খেয়ে থাকলে Acidemia হবে, ব্রেন সেল ডিহাইড্রেট হয়ে ব্রেনে জল কমে যাবে। ভিটামিনের অভাবে (B7) নিওগ্লুকোজেনেসিস বন্ধ হয়ে গেলে হাইপোগ্লাইসিমিয়া হয়ে অজ্ঞান হয়ে গিয়ে শেষমেশ ব্রেন ডেথ হতে পারে।   🤐এবার যদি, Non/Low carb ,fat protein rich diet খায়, তবে Lipolysis, ketogenesis ছাড়াও transamination, deamination, urea formation বাড়বে। ইউরেমিয়া, হাইপার এমোনেমিয়া হতে পারে। এক্ষেত্রেও , ব্রেন ও অন্যান্য কোষ মেটাবলিক জলের অভাবে ডিহাইড্রেশন হবে।   Dietary fats থেকে প্রাপ্ত Fatty acids, amino acids গুলো আগের কাজগুলো খুব ধীরে করে দিবে লিভার প্রচুর bile juice, প্যাংক্রিয়াস lipase তৈরি করবে। প্রচুর NADPH, ATP খরচ করে, এনজাইম খরচ করে neuglucogenesis, Cholesterol synthesis , HMP, Transamination, Deamination etc তৈরি হবে। ফলে, লিভার,ব্রেন, লোহিত রক্ত কণিকা ও অন্যান্য কোষের উপর Metabolic stress তৈরি হবে। দীর্ঘ

সুগার রোগীর এক্সারসাইজ ও ডায়েট Read More »

আল্লাহ্ এবং মুহাম্মদ (صلى الله عليه وسلم) আমার স্বপ্নে

আবূ হুরায়রা (রাাঃ) মেপ্নক বর্ণিত। র্তর্ন বপ্নেন, আর্ রসূে সাল্লাল্লাহু আোইর্হ ওয়াসাল্লা প্নক বেপ্নত শুপ্ননর্ি, ( ুবাশর্শরাত) সু-সংবাদবাহী র্বষয়ার্দ িাড়া নবুয়প্নতর আর র্কিু অবর্শ􀅞 মনই। সাহাবাগণ র্িজ্ঞাসা করপ্নেন, সুসংবাদবাহী র্বষয়ার্দ র্ক? র্তর্ন বেপ্নেন, ভাে স্বে। (সহীহ বুখারী ই.ফা. ৬৫১৯)   আবূ হুরায়রা রার্দয়াল্লাহু আনহু মেপ্নক বর্ণিত, র্তর্ন বপ্নেন, রসূেুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আোইর্হ ওয়াসাল্লা বপ্নেপ্নিনাঃ যখন র্কয়া প্নতর স য় সর্িকপ্নে হপ্নব তখন ু’র্ প্ননর স্বে খুব ক র্ েযা হপ্নব, ময বযর্ি অর্িক সতযবাদী তার স্বেও অর্িক সতয হপ্নব। ুসর্েপ্ন র স্বে হে নবুওয়াপ্নতর মিচর্ল্লশ ভাপ্নগর এক ভাগ। (সুনান আত র্তরর্ িী ই.ফা. ২২৭৩)   আবূ সাঈদ খুদরী (রাাঃ) মেপ্নক বর্ণিত। র্তর্ন নবী সাল্লাল্লাহু আোইর্হ ওয়াসাল্লা মক বেপ্নত শুপ্ননপ্নিন, ময আ াপ্নক স্বপ্নে মদপ্নখ মস সতযই মদপ্নখ। কারণ শয়তান আ ার আকৃর্ত িারণ করপ্নত পাপ্নর না। (সহীহ বুখারী ই.ফা. ৬৫২৬)   িাওবান (রাাঃ) মেপ্নক বর্ণিত। র্তর্ন বপ্নেন, রসূেুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আোইর্হ ওয়াসাল্লা বপ্নেপ্নিনাঃ আ ার উম্মপ্নতর দুর্ে দে আল্লাহ্ তা’আো তাপ্নদরপ্নক িাহািা হপ্নত পর্বত্রাণ দান করপ্নবন, একদে যারা র্হন্দুস্থাপ্ননর র্িহাদ করপ্নব, আর একদে যারা ঈসা ইবন ার্রয়া (আাঃ) এর সপ্নে োকপ্নব। (সুনান আন নাসায়ী ই.ফা. ৩১৭৮)   িাওবান (রাাঃ) মেপ্নক বর্ণিত। র্তর্ন বপ্নেন, রসূেুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আোইর্হ ওয়াসাল্লা বপ্নেপ্নিনাঃ মতা াপ্নদর একর্ে খর্নি সম্পপ্নদর র্নকে পরপর র্তনিন খেীফার পুত্র র্নহত হপ্নব। তাপ্নদর মকউ মসই খর্নি সম্পদ দখে করপ্নত পারপ্নব না। অতাঃপর প্রাচযপ্নদশ (পূবি) মেপ্নক কাপ্নো পতাকা উড্ডীন করা হপ্নব। তারা মতা াপ্নদরপ্নক এত বযাপকভাপ্নব হতযা করপ্নব ময, ইপ্নতাপূপ্নবি মকান িার্ত তদ্রুপ কপ্নরর্ন। অতাঃপর র্তর্ন রসূেুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আোইর্হ ওয়াসাল্লা আরও র্কিু বপ্নেপ্নিনাঃ যা আ ার প্নন নাই। র্তর্ন আপ্নরা বপ্নেনাঃ তাপ্নক আত্মপ্রকাশ করপ্নত মদখপ্নে মতা রা বরপ্নফর উপর হা াগুর্ড় র্দপ্নয় হপ্নেও তার সাপ্নে মযাগদান কপ্নরা। কারণ মস আল্লাহর খেীফা াহদী। (সুনান ইবনু ািাহ ৪০৮৪)    

আল্লাহ্ এবং মুহাম্মদ (صلى الله عليه وسلم) আমার স্বপ্নে Read More »

AS SHIFA TRUST

ব্লাড প্রেসার থেকে কীভাবে বাঁচবেন?

আজ থেকে ৩০-৪০ বছর আগে আমাদের সমাজে প্রেসার বা হাইপারটেনশন অসুখটি অনেক কম ছিল আজকের তুলনায়! আগেকার দিনে আমাদের কতকগুলি ধারণা এমন ছিল— ১) বয়স ৬০ বা তার উর্ধ্বে না হলে প্রেসার হয়না অথবা প্রেসার অসুখটি বয়স্ক লোকের হয়! ২) প্রেসার হলে ব্রেনস্ট্রোক, হার্ট এটাক প্রভৃতি নানাবিধ পরিণতি হয়ে মৃত্যু অবধারিত! ৩)প্রেসার অল্প বয়স বা কম বয়সের অসুখ না! কিন্তূ, বর্তমানকালে আমি বা আমরা যারা ডাক্তার , তারা লক্ষ্য করি —বয়স বিশ হলে ও অনেক এমন ছেলে বা মেয়ে দেখা যায়; যারা প্রচন্ড প্যালপিটেশন, পারশপি রেশন, হেডেক, ডিপ্রেশন, ইণসমনিয়া, লেগক্রামপ্স,ওবেসিটি, ডিসপে পসিয়া, মেন্টাল ফগ, ফ্যাটিগ, লেথার্জি প্রভৃতি নানারকম পিক্যুইলিয়ার সিম্পটমস্ নিয়ে হাসপাতালের এমার্জেন্সি বা ক্লিনিকে আসেন ৷ অনেক ক্ষেত্রেই এদের প্রেসার বেশী পাওয়া যায়৷ এইরকম সমস্যা সামনে যতদি ন এগি য়ে আসবে —ততই বাড়বে ৷ অথচ, এই র োগীদে র কি ডনি বা হার্ট দটুটোই ব্লাড রি প োর্টে ঠিক আছে ( ইসি জি , সি পি কে এমবি , ইউরি য়া, ক্রি য়ে টিনি ন)৷ খে য়াল করুন—প্রে সার র োগটি আগামী প্রজন্মে র জন্য বা বর্তমান প্রজন্মে র জন্য বয়সটা ক োন ফ্যাক্টরই নয়! যে ক োন বয়সে , যে ক োন লি ঙ্গে র ক্ষে ত্রে প্রে সার র োগটি পরি লক্ষি ত হচ্ছে ! এটা খুবই দঃুশ্চি ন্তার বি ষয়! আমরা এর প্রকৃত কারণ যদি এখনই ব্যাপকহারে প্রচার ও প্রসার না করি , তবে আগামী প্রজন্ম বহুলাংশে প্রে সারে র মত গ োপন ঘাতক থে কে রে হাই পাবে না৷ এই উদ্যে শ্য ও মহান আল্লাহর সন্তূষ্টি অর্জনে র মানসে — আজকে র এই সংক্ষি প্ত লি খাটি৷ “প্রে সার” এর আক্ষরি ক অর্থ হল -চাপ বা বল৷ শরীরি পরি ভাষাতে বা মে ডি ক্যাল পরি ভাষাতে — যে বল বা চাপে ধমনী বা শি রাতে রক্ত চলাচল করে —তাকে ব্লাড প্রে সার বলে ৷ হার্টে র বি ভি ন্ন চে ম্বার, বড় থে কে ছ োট ধমনী — এর দি কে যত এগ োবে ন প্রে সার তত কমবে ৷ অর্থাৎ যে ধমনী যত হার্টে র কাছাকাছি তার মধ্যে রক্ত সন্চালনে বে শী বল প্রয় োগ করতে হয়৷ আবার যে শি রা যত দরেূরে (হার্ট থে কে ) তার চাপ বে শী হয়৷ হার্ট(লে ফ্ট ভে ন্ট্রি কল এবং লে ফ্ট এট্রি য়াম)>বড় ধমনী>মি ডি য়াম ধমনী>ছ োট ধমনী>ক্যাপি ল্যারি >চ োট শি রা>মি ডি য়াম শি রা>বড় শি রা>হার্ট( রাইট ভে ন্ট্রি কল এবং রাইট এট্রি য়াম —— মটুামটিু এই রকম বি ন্যাসে চাপে র তারতম্য থাকে ৷ফলে , হার্ট শি রার মধ্য দি য়ে গ োটা দে হ থে কে রক্তকে টে নে হার্টে নি য়ে যায় এবং সে ই রক্তকে ধমনীর মাধ্যমে গ োটা দে হে ছড়ি য়ে দে য়৷ ( পালম োনারী আর্টারি ও ভে ন—এখানে বি বে চ্য হচ্ছে না) ৷ অর্থাৎ হার্টে র মলূ ও মখূ্য কাজ হল— পাম্পি ং করে দে হে র সর্বত্র রক্তকে সন্চালি ত রাখা৷ ঠিক যে ভাবে যে ক োন পাম্পি ং মে শি ন মি টির নি চ থে কে জল তুলে ও উপরে উঠায়৷ আমারা সাধারনতঃ বাহুর মধ্য দি য়ে যে আর্টারি ( কি উবি টাল বা রে ডি য়াল) যায়—তার প্রে সারটাকে স্ট্যান্ডার্ড করে নি য়ে কাজ করি ৷ হার্ট যখন স্বাভাবি কভাবে স্বাচ্ছন্দে কাজ করে তখন এই দইু জায়গাতে সাধারনতঃ ১২০/৮০ mmHg চাপ থাকে ৷ এক্ষনে , যদি এই চাপ বে শী হয় , তবে বঝু তে হবে — হার্টকে স্বাভাবি কে র থে কে বে শী বল প্রয় োগ করে এই রক্ত সন্চালনে র কাজটি করে যে তে হচ্ছে ৷ হার্টকে যত বে শী বল প্রয় োগ করতে হবে —এই সন্চালনে র প্রক্রি য়াটিকে সচল রাখতে , যে ক োন আর্টারি বা ভে নে প্রে সার বাড়বে ৷ কি উবি টাল বা রে ডি য়াল আর্টারীর প্রে সারও বাড়বে ৷ এখন, আপনাকে জানতে হবে — কী এমন হল যে , হার্টকে বে শী বল প্রয় োগ করে গ োটা দে হে রক্ত সন্চালনটা করতে হচ্ছে ? যে রক্ত আগে ১২০/৮০ mmHg তে দি ব্যি সন্চালি ত হচ্ছি ল— সে ই রক্তকে ই সন্চালি ত রাখতে হার্টকে বে শী বল প্রয় োগ করে পাম্পি ং করতে হচ্ছে ? কে ন এমন হল? এর উত্তরে র মধ্যে ই সমস্যার উৎপত্তি , সমাধান, বে চেঁচে থাকার পথ—সবই খুজেঁজে পাবে ন৷ চলনু, তার আগে একটা ছ োট্ট উদাহরণ দি য়ে প্রে সারটাকে আরও সহজভাবে বঝু াই৷ ধরুন, একই সাইজে র, একই উচ্চতা ও ব্যাসে র তি নটি স্বচ্ছ কাঁচে র গ্লাস আপনার সামনে রাখলাম৷ একটা গ্লাসে জল, একটা গ্লাসে দধু ও একটা গ্লাসে ম্যাঙ্গ োজ্যুস একই পরি মাণে (আয়তন) ঢাললাম৷ তি নটি গ্লাসে ই তি নটি একই রকম ‘স্ট্র’ দি লাম৷ এখন , আপনাকে মখু দি য়ে তি নটি গ্লাস থে কে ই তি নরকম লি ক্যু ইড টানতে বললাম৷ এবার বলনু, আপনাকে ক োন লি ক্যু ইডটা টানতে বে শী বল প্রয় োগ করতে হল?? অবশ্যই বলবে ন—ম্যাঙ্গ োজ্যুস৷ কারণ, ম্যাঙ্গ োজ্যুসে র ঘনত্ব এখানে সবচে য়ে বে শী৷ বাঃ , এটা আপনি চমৎকার বঝু লে ন! ঠিক তে মনি ভাবে ই, আমাদে র দে হে র লি ক্যু ইডটা বা রক্তটাকে হার্ট টে নে নি য়ে আসছে ও ছড়ি য়ে দি চ্ছে ৷ তাহলে , এই টানা ও ফে লাটা হার্টে র জন্য বে শী কষ্টকর কখন হবে ? বা কখন বে শী বল প্রয় োগ করে এই টানা-ফে লার কাজটা করতে হবে ? নি শ্চয়, ব্লাড যখন “ঘন” হবে ৷ ব্লাডে র স্বাভাবি ক ডে নসি টি যখন আরও বে শী বাড়বে ৷ তাহলে , এবার চলনু দে খি , ব্লাড ঘনত্ব কীভাব বাড়ে ? ব্লাডকে পরি চ্ছন্ন বা ফি ল্টার করে লি ভার এবং ব্লাড ভলি উমকে ব্যালান্স করে রাখে , ইল োকট্র োলাইট ব্যালান্স ঠিক রাখে ও কি ছুকি ছু(Urea,Creatinine, BUN) অবান্ছি ত ক্ষতি কর মে টাবলি ক ওয়ে স্টগুলি বে র করে -কি ডনি ৷ প্রধান ও মখু্য ব্লাড পি উরি ফায়ার লি ভার যখন — এই ফি ল্ট্রে শনে র কাজটা পরি পূর্ণরুর্ণ পে সম্পাদন করতে অক্ষম হয়, ঠিক তখনি কি ছুকি ছুপরি মাণে অবান্ছি ত ক্ষতি কর বস্তূগুলি হে পাটিক ভে ন দি য়ে ব্লাডে মি শতে শুরু করে ৷ এই প্রক্রি য়া বহুদি নযাবৎ চলতে থাকলে , এক সময় ব্লাডে র ঘনত্ব এতই বে ড়ে যায় যে , প োড়া ম োবে লে

ব্লাড প্রেসার থেকে কীভাবে বাঁচবেন? Read More »

ডায়াবেটিস কোন একক কারণে পর্বতে পরিণত হয় না

ডায়াবেটিস কোন একক কারণে পর্বতে পরিণত হয় না। অনেকগুলো শিলা ও আঁকাবাঁকা রাস্তার চড়াই উৎরাই নিয়ে তৈরি হয়। প্রথমত: অনবরত স্ট্রেস যা ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক, রাষ্ট্রীয় লেভেলের বিভিন্ন অস্থিরতা থেকে আসে। প্রচন্ড গতিশীল সভ্যতার পায়ে পা মিলিয়ে চলতে গিয়ে অসুস্থ প্রতিযোগিতা, হিংসা, অহংকার, কূমন্ত্রনা,ক্ষোভ, হতাশা, কৃপনতা প্রভৃতি থেকে মনের উপর ভর করে বসে ” স্ট্রেস” । দ্বিতীয়ত: অতিরিক্ত ফসলের লোভে GMO বীজ ও তা থেকে উদ্গত গাছের বাঁচার লড়াই এ অত্যাবশ্যকীয় Pesticides, Fungicides, Herbicides, inorganic fertilizers এর বহুল ব্যবহার। যেগুলো Quantity দিয়ে Quality কেড়ে নিয়েছে। লিভার ঐসব জেনোবায়োটিক মেটাবলিজমের কাজ করতে গিয়ে ক্লান্ত হয়ে নিজের কার্যক্ষমতা হারিয়েছে। গ্লাইকোজেন ষ্টোরেজ করার সক্ষমতা হ্রাস পেয়েছে। তৃতীয়ত: ক্রনিক স্ট্রেস থেকে অনবরত প্রবাহিত এড্রিনালিন সকল অঙ্গের থেকে নিরিহ ও সিক্রেটরি ক্লোনড বিটা কোষগুলোকে পুড়িয়ে দিয়েছে। ছোট্ট ছোট্ট ক্ষত দীর্ঘদিন পর বৃহত্তর ক্ষত করে ইনসুলিনের পরিমাণ মত সিক্রেশনের ক্ষমতা হারিয়েছে। চতুর্থত: এপিনেফ্রিন বেশি, ইনসুলিন কম, গ্লুকাগন বেশি এমন অবস্থায় কোষের মধ্যে সন্চিত ফ্যাট ( TAG, CE) ভেঙে ভেঙে ( Lypolysis) ফ্যাটি এসিড তৈরি করেছে। এদিকে লিভার VLDL তৈরী করার প্রবণতা কমিয়েছে। HDL এর তৈরি আরো কমে গিয়ে ভেঙে যাওয়া ফ্যাটি এসিড কে বা কোলেস্টেরল কে কোষের জায়গা থেকে সরিয়ে আনতে ও লিভারে পৌঁছে দিতে পারার ক্ষমতা হারিয়েছে। কোষের চারপাশে, ধমনী ক্যাপিলারির গায়ে কোলেস্টেরল,ফ্যাটি এসিড জমতে শুরু করেছে। ইনসুলিন হাইড্রোফিলিক, লিপোফোবিক প্রোটিন বিধায় কোষের মেমব্রেনে সিগন্যাল পাঠাতে ব্যার্থ্য হয়েছে। ফলত: কোষে গ্লুকোজ প্রবেশের দরজা (GLUT4) যথাযথ পরিমাণ ও সংখায় খুলতে পারেনি। কোষ গ্লুকোজের সাগরে থাকলেও নিজে অভুক্ত থেকে অশান্ত হয়ে পড়েছে। রক্ত গ্লুকোজ ইমব্যালান্স তৈরি হয়েছে। রক্তের ওসমোলালিটি বেড়ে গিয়ে বিভিন্ন অর্গানে রক্তের পারফিউশন কমেছে। বিভিন্ন অঙ্গের জন্য হানিকর হয়ে উঠেছে। এইসব ক্রমকান্ডের ধারা যখন লাগু হয়ে যায়, তখন ডায়াবেটিস নামক প্যানিক রোগটি দেহের ভিতর থেকে বাহির লন্ডভন্ড করে দিয়েছে। প্রত্যেক অপ্রত্যাশিত অঘটনগুলোর যথাযথ হলিষ্টিক এপ্রোচে ব্যবস্থাপণা নিয়ে, আত্মবিশ্বাস ও পরম যত্ন নিয়ে এই ডায়াবেটিসের পর্বতকে আমরা জয়া করতে পারি। ডায়াবেটিস কম বা বেশি হওয়ার সাথে গ্লাইসেমিক ইনডেক্স নামক ব্যাপারটার খুব একটা সম্পর্ক নেই। কোন খাবার নির্দিষ্ট পরিমাণ খাওয়ার নির্দিষ্ট সময়ের পরে রক্তে কতটুকু গ্লুকোজ বাড়ছে – সেটাই গ্লাইসেমিক ইনডেক্স। সোজা কথা যে খাদ্যে যত বেশি গ্লুকোজ থাকবে বা মনোস্যাকারাইড থাকবে এবং সহজে পেটের মধ্যে বিপাকজাত হবে,তার গ্লাইসেমিক ইনডেক্স বেশি হবে। কিন্তু, একটা সময় গিয়ে সব খাবারই পাচিত হয়ে রক্তে গ্লুকোজ বাড়াবে। কারো সময় কম লাগে, কারো বেশি। কিন্তু, রক্তের গ্লুকোজ ইমব্যালান্স হওয়ার শুধুমাত্র ইনসুলিন কারণ নয়; ক্রনিক স্ট্রেস থেকে এড্রিনালিন, গ্লাইকোজেন ষ্টোরেজ থেকে লিভার, চর্বি থেকে ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্সি, শরীরের প্রয়োজনের বাইরে খাদ্যথলির ১/৩ ভাগের বেশি উদরপূর্তি ভক্ষণের নিয়মিত অসচেতন অভ্যাস। ঐ ৪ টে বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে খাদ্য নির্বাচন ও কাজকর্ম দৈনিক জীবনের পরতে পরতে অনুশীলন করতে পারলে, ইনশাআল্লাহ রক্তের গ্লুকোজ ইমব্যালান্স তার আগের ব্যালান্স অবস্থা ফিরে পাবে। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে আনতে- রক্তের চর্বি কমানো, স্ট্রেস কমানো, লিভারের জেনোবায়োটিক মেটাবলিজমের CytP450 system কে সক্রিয় করা ভীষণ জরুরী। এই কাজ গুলো করতে সহায়ক হিসাবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে -” এক্সারসাইজ” ।

ডায়াবেটিস কোন একক কারণে পর্বতে পরিণত হয় না Read More »

মানবদেহের ৭৮ টা অঙ্গের মধ্যে সবচেয়ে ব্যস্ত

মানবদেহের ৭৮ টা অঙ্গের মধ্যে সবচেয়ে ব্যস্ত, গোটা দেহের বিভিন্ন কোষের প্রয়োজনীয় শক্তি উৎপাদন কারী কাঁচা মালের ( Glucose, Ketones, Vitamins, Minerals) ভেন্ডর ও রি-প্যাকার, প্রসেসর হচ্ছে লিভার। লিভার জানা অজানা অসংখ্য বায়োকেমিক্যাল কার্যক্রমের আস্তানা। মানবদেহের মধ্যে খাদ্য গৃহীত হোক বা না হোক, প্রয়োজনীয় পুষ্টি খাদ্যের মাধ্যমে আসুক বা না আসুক – লিভার তার কাছে থাকা যে কাঁচামাল থাক সেখান থেকেই কোষের প্রয়োজনীয় সবকিছু তৈরি করে আপাতত দেহ ও কোষগুলোর বেঁচে থাকার রসদ সরবরাহ করতে থাকে। একটা সময় পর (৩-১৪ দিন) লিভার সব রকম সরবরাহ বন্ধ করে দেয় যখন দেহের মাংস ও থাকে না। আমাদের সর্বাঙ্গের সজীবতা ও শক্তি উৎপাদন করার জন্য লিভারের কার্যক্ষমতা ১০০% থাকা দরকার। এছাড়াও, লিভার আরও বড় বড় কাজ করে থাকে। কোলেস্টেরল সিনথেসিস,বাইল এসিড সিনথেসিস, খাদ্যের সন্চয়, রক্তের কেমিক্যাল বিশুদ্ধকরণ (যেমনভাবে ফুসফুস অক্সিজেন যুক্ত করে,কার্বোনডাইঅক্সাইড মুক্ত করে রক্তকে বিশুদ্ধকরণ করে) । কোষের বেঁচে থাকার জন্য যেমন হার্টের শক্তিশালী পেস বা রক্তকে ছুড়ে দেয়া বা টেনে আনার ক্ষমতা দরকার ( এই জন্য Heart is PACE maker), তেমনি কোষের সুস্থতা বা শান্তির জন্য লিভারের কার্যক্ষমতা ১০০% বা যথাযথ ভাবে থাকার দরকার। এই জন্যই, LIVER is PEACE-MAKER.

মানবদেহের ৭৮ টা অঙ্গের মধ্যে সবচেয়ে ব্যস্ত Read More »

What is the Insulin Resistance

Insulin: Glucagon is normal (.6)or high but cholesterol concentration through out the cell- membrane and within matrix becoming high, then Insulin can’t not work to activate adenylate cyclase of G-protein complex which is present at outer layer of cell membranes . Adenylate cyclase produces cAMP from ATP and cAMP activate protein to recruit GLUT onto cell- membrane. This GLUT allows Glucose to enter the CELL. In conclusion, one word for insulin resistance is ” More the blood fat, more the insulin resistance.”

What is the Insulin Resistance Read More »

ডায়াবেটিসের আসল কারণ জেনে নিন।

#ডায়াবেটিসের আসল কারণ জেনে ব্যবস্থা নিলেই ইনশাআল্লাহ রিকভারি করতে পারেন। ডায়াবেটিস কোন একক কারণে পর্বতে পরিণত হয় না। অনেকগুলো শিলা ও আঁকাবাঁকা রাস্তার চড়াই উৎরাই নিয়ে তৈরি হয়। #প্রথমত: অনবরত স্ট্রেস যা ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক, রাষ্ট্রীয় লেভেলের বিভিন্ন অস্থিরতা থেকে আসে। প্রচন্ড গতিশীল সভ্যতার পায়ে পা মিলিয়ে চলতে গিয়ে অসুস্থ প্রতিযোগিতা, হিংসা, অহংকার, কূমন্ত্রনা,ক্ষোভ, হতাশা, কৃপনতা প্রভৃতি থেকে মনের উপর ভর করে বসে ” স্ট্রেস” । #দ্বিতীয়ত: অতিরিক্ত ফসলের লোভে GMO বীজ ও তা থেকে উদ্গত গাছের বাঁচার লড়াই এ অত্যাবশ্যকীয় Pesticides, Fungicides, Herbicides, inorganic fertilizers এর বহুল ব্যবহার। যেগুলো Quantity দিয়ে Quality কেড়ে নিয়েছে। লিভার ঐসব জেনোবায়োটিক মেটাবলিজমের কাজ করতে গিয়ে ক্লান্ত হয়ে নিজের কার্যক্ষমতা হারিয়েছে। গ্লাইকোজেন ষ্টোরেজ করার সক্ষমতা হ্রাস পেয়েছে। #তৃতীয়ত: ক্রনিক স্ট্রেস থেকে অনবরত প্রবাহিত এড্রিনালিন সকল অঙ্গের থেকে নিরিহ ও সিক্রেটরি ক্লোনড বিটা কোষগুলোকে পুড়িয়ে দিয়েছে। ছোট্ট ছোট্ট ক্ষত দীর্ঘদিন পর বৃহত্তর ক্ষত করে ইনসুলিনের পরিমাণ মত সিক্রেশনের ক্ষমতা হারিয়েছে। #চতুর্থত: এপিনেফ্রিন বেশি, ইনসুলিন কম, গ্লুকাগন বেশি এমন অবস্থায় কোষের মধ্যে সন্চিত ফ্যাট ( TAG, CE) ভেঙে ভেঙে ( Lypolysis) ফ্যাটি এসিড তৈরি করেছে। এদিকে লিভার VLDL তৈরী করার প্রবণতা কমিয়েছে। HDL এর তৈরি আরো কমে গিয়ে ভেঙে যাওয়া ফ্যাটি এসিড কে বা কোলেস্টেরল কে কোষের জায়গা থেকে সরিয়ে আনতে ও লিভারে পৌঁছে দিতে পারার ক্ষমতা হারিয়েছে। কোষের চারপাশে, ধমনী ক্যাপিলারির গায়ে কোলেস্টেরল,ফ্যাটি এসিড জমতে শুরু করেছে। ইনসুলিন হাইড্রোফিলিক, লিপোফোবিক প্রোটিন বিধায় কোষের মেমব্রেনে সিগন্যাল পাঠাতে ব্যার্থ্য হয়েছে। ফলত: কোষে গ্লুকোজ প্রবেশের দরজা (GLUT4) যথাযথ পরিমাণ ও সংখায় খুলতে পারেনি। কোষ গ্লুকোজের সাগরে থাকলেও নিজে অভুক্ত থেকে অশান্ত হয়ে পড়েছে। রক্ত গ্লুকোজ ইমব্যালান্স তৈরি হয়েছে। রক্তের ওসমোলালিটি বেড়ে গিয়ে বিভিন্ন অর্গানে রক্তের পারফিউশন কমেছে। বিভিন্ন অঙ্গের জন্য হানিকর হয়ে উঠেছে। এইসব ক্রমকান্ডের ধারা যখন লাগু হয়ে যায়, তখন ডায়াবেটিস নামক প্যানিক রোগটি দেহের ভিতর থেকে বাহির লন্ডভন্ড করে দিয়েছে। প্রত্যেক অপ্রত্যাশিত অঘটনগুলোর যথাযথ হলিষ্টিক এপ্রোচে ব্যবস্থাপণা নিয়ে, আত্মবিশ্বাস ও পরম যত্ন নিয়ে এই ডায়াবেটিসের পর্বতকে আমরা জয়া করতে পারি।

ডায়াবেটিসের আসল কারণ জেনে নিন। Read More »